Published : 18 Nov 2024, 11:01 PM
অবশেষে গোপালগঞ্জের মধুমতি নদীর মানিকহার সেতুর নিচ থেকে কচুরিপানা অপসারণ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসন।
শিগগির এ পথে নৌযান চলাচল শুরু হবে বলে জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রেফাত জামিল।
‘মধুমতিতে কচুরিপানার স্তূপ: গোপালগঞ্জের সঙ্গে ৫ জেলার নৌ চলাচল বন্ধ’ এই শিরোনামে শনিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে একটি খবর প্রকাশিত হয়।
এরপর বিষয়টি জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সদর উপজেলা প্রশাসনের নজরে এলে নড়েচড়ে বসেন তারা। সোমবার সকাল থেকে মধুমতি নদী থেকে কচুরিপানা অপসারণ শুরু করা হয়।
প্রকৌশলী রেফাত জামিল বলেন, সদর উপজেলার উরফি ইউনিয়নের মধুমতি নদীর মানিকহার সেতুর নিচে কচুরিপানার স্তূপ ৫০০ মিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃতি। এতে গোপালগঞ্জের সঙ্গে খুলনা, বরিশাল, নড়াইল, বাগেরহাট ও পিরোজপুরের নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ১৮ দিন ধরে এ পথে নৌকা, ট্রলার, কার্গোসহ অন্য নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সংবাদমাধ্যমে খবর পেয়ে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় কচুরিপানা অপসারণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে ট্রলার ও ভেকুসহ অন্যান্য মেশিনের সাহায্যে কচুরিপানা দ্রুত অপসারণ করা হবে। দ্রুত এ পথে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
উরফি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনির গাজী বলেন, এ জেলার প্রধান নদী মধুমতি। এ নদী দিয়ে প্রতিদিন পাঁচ জেলার অন্তত ২০০ নৌযান চলাচল করে। ১৮ দিন আগে মানিকহার সেতুর পিলারে কচুরিপানা জমতে থাকে। আস্তে আস্তে তা বিশাল স্তূপে পরিণত হয়।
নদীর ৫০০ মিটার এলাকা কচুরিপানার স্তূপ দখল করে নিয়েছে। এতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে নৌ চলাচল। এক পর্যায়ে নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সেতুর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিরও অশঙ্কা করা হচ্ছিল।
তিনি বলেন, “কচুরিপানা অপসারণ করে নৌ-চলাচলের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছিলাম। বিষয়টি ভিডিও করে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহসিন উদ্দীনকেও পাঠাই।
“বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ইউএনও। আর সোমবার মধুমতি নদী থেকে কচুরিপানা অপসারণ শুরু হল। এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।”
আরও পড়ুন:
মধুমতিতে কচুরিপানার স্তূপ: গোপালগঞ্জের সঙ্গে ৫ জেলার নৌ চলাচল বন্ধ