বাগেরহাটে তরুণীকে হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

২০১২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তরুণীর মরদেহ পাওয়া যায় একটি সুপারি বাগানে।

বাগেরহাট প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 13 Sept 2022, 11:35 AM
Updated : 13 Sept 2022, 11:35 AM

বাগেরহাটের কচুয়ায় এক দশক আগে এক তরুণীকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃতুদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। 

মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক তপন রায় আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।  

দণ্ডপ্রাপ্ত আমজাদ খান (৪৮) কচুয়া উপজেলার খলিশাখালী উত্তরপাড়া গ্রামের দলিল উদ্দিন ওরফে ধলু খানের ছেলে।  

নিহত আয়না আক্তার (১৭) একই উপজেলার গাবরখালি গ্রামের হোসেন আলির মেয়ে।

মামলার নথির বরাতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সীতা রাণী দেবনাথ জানান, ২০১২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জেলার কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের একটি সুপারি বাগান থেকে অজ্ঞাত এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় ওইদিন কচুয়া থানার এএসআই  মিয়া রব হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন।

অজ্ঞাত ওই নারীর বিস্তারিত পরিচয় শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে ওই বছরের শেষের দিকে পুলিশ আমজাদ খানকে গ্রেপ্তার করলে তার পরিচয় মেলে।

 আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আমজাদ খান জানান, আয়নার সঙ্গে মুঠোফোনে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের পর বিভিন্ন সময়ে তিনি আয়নার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। এ সময় আয়না তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকলে বিবাহিত আমজাদ তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। এই ঘটনা লোক জানাজানি হলে সংসার ভেঙে যেতে পারে এই আশঙ্কায় তিনি কৌশলে আয়নাকে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে দূরের একটি বাগানে তার মরদেহ ফেলে রাখেন।

২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কচুয়া থানার এসআই হুমায়ুন কবির আমজাদ খানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। মামলায় ১২ জন সাক্ষ্য দেন।

আইনজীবী আরও জানান, বিচারক আমজাদকে মৃত্যুদণ্ড ছাড়াও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করেছেন।

 আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন বিধান চন্দ্র রায়।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক