১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদপুরে বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণে একজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

২০২৩ সালের ৬ জুন মৃত সন্তানের জন্ম দেয় মেয়েটি। পুলিশ নবজাতকের লাশের ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ স্যাম্পল সংগ্রহ করে।

ফরিদপুরে বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণে একজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড
ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দণ্ডপ্রাপ্ত মো. ইসমাইল শেখ।

ফরিদপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 23 Oct 2025, 05:39 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:32 PM

ফরিদপুরে বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে একজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভিন এ রায় দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের পিপি গোলাম রব্বানী ভুঁইয়া রতন। 

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. ইসমাইল শেখ (৪৭) ফরিদপুরের সদর উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের চতর খাড়া পাড়া গ্রামের আমিন শেখের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে জেল হাজতে নিয়ে যাওয়া হয়। 

মামলার এজাহারের বরাতে জানা যায়, ২০২২ সালের অগাস্ট থেকে অক্টোবরের মধ্যে গ্রামের পাটক্ষেতে নিয়ে ২১ বছর বয়সী ওই তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়। 

এই বিষয় নিয়ে এলাকায় সালিশ বৈঠকে মো. ইসমাইল শেখ ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করে। কিন্তু সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে চলে যান। 

পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ৬ জুন বিকালে নিজ বাড়িতে মৃত সন্তানের জন্ম দেয় মেয়েটি। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে পুলিশ নবজাতকের লাশ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ স্যাম্পল সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। 

পরে ২০২৩ সালের ৯ জুন মেয়েটির মা ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

পিপি রতন বলেন, মামলার রায়ে আসামি মো. ইসমাইল শেখকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকার অর্থদণ্ডও দিয়েছেন। যা জেলা কালেক্টর আসামির জমি-জমা বিক্রি করে ভিকটিমকে প্রদান করবেন বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। 

পিপি বলেন, “আদালতে আমরা সর্বোচ্চ বিচার পেয়েছি, এই রায়ে আমরা খুশি হয়েছি।”