Published : 24 Aug 2026, 08:09 PM
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় এক সার ডিলারের গুদামের দরজা ভেঙে সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসনের গঠিত কমিটি।
সোমবার ঘটনাস্থলে গিয়ে কমিটির সদস্যরা তদন্তকাজ শুরু করেন বলে জানান ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব।
রোববার সকালে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের বিসিআইসি সার ডিলার তাইফুর রহমান মুকুলের গুদামের দরজা ভেঙে ২০২ বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর ডিলার তাইফুর রহমান মুকুল একজন কৃষকের নাম দিয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় জিডি করেছেন।
কৃষকদের অভিযোগ, তারা কয়েক দিন ধরে ডিলারের কাছে সার চেয়েও পাননি। গুদামে চার কিস্তিতে এক হাজার ৩৬০ বস্তা সার থাকার কথা থাকলেও বিতরণের সময় ৩৪০ বস্তা সার দেওয়ার কথা জানানো হয়।
এ নিয়ে দুই শতাধিক কৃষকের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। একপর্যায়ে কয়েকজন কৃষক গুদামের দরজা ভেঙে সার নিয়ে যান বলে অভিযোগ।
কৃষকদের দাবি, ডিলার গোপনে সার বিক্রি করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। এতে তারা ন্যায্য দামে সার না পেয়ে বেশি দামে খোলাবাজার থেকে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ডিলার তাইফুর রহমান মুকুল। তার দাবি, এক ব্যক্তির উসকানিতে কৃষকেরা দলবদ্ধ হয়ে গুদামের দরজা ভেঙে ২০২ বস্তা সার নিয়ে যান। এর মধ্যে ১০৭ বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
ইউএনও অমৃত দেব বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে রোববার রাতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটিকে সোমবারের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির সভাপতি ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেক বলেন, তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী, ডিলার ও কৃষকদের বক্তব্য নিচ্ছেন। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন ইউএনওর কাছে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:কুড়িগ্রামে গোডাউন ভেঙে ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেল কৃষকরা