০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

গাজীপুরে ফের শ্রমিক বিক্ষোভ: সাউন্ড গ্রেনেড ও লাঠিচার্জে ছত্রভঙ্গ, বন্ধ ৭ কারখানা

বর্তমানে সাতটি কারখানা ছাড়া বাকি সব কারখানায় উৎপাদন চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 08 Nov 2026, 05:51 PM

Updated : 08 Nov 2026, 06:00 PM

গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানাধীন জরুন এলাকায় বেতন বাড়ানোর দাবিতে আবারও বিক্ষোভ করেছেন তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।

পুলিশ ও বিজিবর সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

রোববার দুপুরে কোনাবাড়ীর জরুন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার দুপুরে অর্ধশতাধিক শ্রমিক লাঠিসোঠা নিয়ে কাশিমপুর থেকে কোনাবাড়ির জরুনের দিকে আসে। এসময় তারা আশপাশের কারখানার গুলোতে ইট-পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। ওইসব উৎপাদন কার্যক্রম চলছিল।

এসময় স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের কারখানার ভেতরে দায়িত্ব পালন করা পুলিশ সদস্যরা তাদের ধাওয়া দেয়। খবর পেয়ে বিজিবিও ঘটনাস্থলে যায়। পরে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে ও লাঠি পেটা করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার দুপুরে অর্ধশতাধিক শ্রমিক লাঠিসোঁটা নিয়ে কাশিমপুর থেকে কোনাবাড়ির জরুনের দিকে আসে। এ সময় তারা আশপাশের কারখানাগুলোতে ইট-পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। তখন কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম চলছিল।

এ সময় ‘স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের’ কারখানার ভেতরে দায়িত্ব পালন করা পুলিশ সদস্যরা তাদের ধাওয়া দেয়। খবর পেয়ে বিজিবিও ঘটনাস্থলে যায়। পরে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে ও লাঠিপেটা করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, “রোববার সকাল থেকে গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছিল। বেলা ৩টার দিকে ওই একই দাবি জানিয়ে ‘মণ্ডল গ্রুপের’ বেশ কয়েকজন শ্রমিক জরুন মোড়ের দিকে আসছিল। এ সময় আশেপাশের ছয় থেকে সাতটি কারখানায় ঢিল ছোড়ে তারা।

“পরে পুলিশ ও বিজিবি তাদের লাঠিপেটা করে ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে সরিয়ে দেয়। এ সময় সাতটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।”

বর্তমানে গাজীপুরের সাতটি কারখানা ছাড়া বাবি সব কারখানায় উৎপাদন চলছে বলে জানান তিনি।