২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়ল ২০ কেজির ‘সামুদ্রিক শোল’

পটুয়াখালীর আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছটি তোলা হলে দুই ব্যবসায়ী ৭০০ টাকা কেজি দরে কিনে নেন।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 Jul 2026, 08:50 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:27 PM

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে ২০ কেজি ওজনের একটি সামুদ্রিক শোল মাছ ধরা পড়েছে; স্থানীয়ভাবে যেটি ‘মথু’ বা ‘দাঁতিনা সুরমা’ নামে পরিচিত।

সোমবার সকালে আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ‘মেসার্স ফাইভ স্টার ফিস’ আড়তে মাছটি ৭০০ টাকা কেজি দরে ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

সামুদ্রিক এই শোলটি গভীর সমুদ্রের বিরল প্রজাতির মাছ বলে জানিয়েছেন কলাপাড়া উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা।

ট্রলার মাঝি রুহুল আমিন বলেন, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে তারা প্রায় নয় দিন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরছিলেন। অন্যান্য সাধারণ মাছের সঙ্গে হঠাৎ তাদের জালে বিশাল আকৃতির শোল মাছটি উঠে আসে। 

তিনি বলেন, সকালে মাছটি আড়তে নেওয়া হলে এক নজর দেখতে ভিড় করেন স্থানীয়রা। পরে ৭০০ টাকা কেজি দরে ১৪ হাজার টাকায় মাছটি যৌথভাবে কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান খান ও মো. সোহাগ আহমেদ।

সাগরে এমন একটি মাছ ভালো দামে বিক্রি করতে পেরে রুহুল আমিন ও তার সহকর্মীরা খুব আনন্দিত। 

ক্রেতা আব্দুর রহমান খান ও মো. সোহাগ আহমেদ বলেন, সচরাচর বাজারে এত বড় আকৃতির সামুদ্রিক শোল মাছ পাওয়া যায় না। কোনো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয় বরং নিজেরা খাওয়ার জন্যই মাছটি কিনে ভাগ করে নিয়েছেন তারা।

আড়তে শোল মাছটি দেখতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা মো. মনির মিয়া বলেন, “বড় একটি শোল মাছ মৎস্য বন্দরে নিয়ে আসা হয়েছে শুনে দেখতে আসলাম। মাছটি দেখে চোখ জুড়িয়ে গেল। তবে এত বড় মাছ দেখে অনেকে ভয়ও পেয়েছেন।

মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, সাগরের পরিবেশ অনুকূলে থাকলে এবং পর্যাপ্ত খাবার পেলে এ ধরনের মাছ আকারে বেশ বড় হতে পারে। সাগরে নিয়মিত এমন বড় মাছ ধরা পড়লে জেলেরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন; যা সামগ্রিক মৎস্য অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।