দৌলতদিয়ায় বাসডুবি: তৃতীয় দিনের উদ্ধার অভিযান শুরু
“একজন নিখোঁজের সংবাদ আমরা পেয়েছি। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত না যে তিনি ওই বাসের যাত্রী ছিলেন কিনা।”
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে বাস ডুবির ঘটনায় তৃতীয় দিনের মত উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে ফায়ার সাভিস।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে এ অভিযান শুরু করা হয় বলে জানিয়েছেন রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক সোহেল রানা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফেরিঘাট এলাকায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি, কোস্ট গার্ড, নৌ বাহিনীর সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করছে। পাশাপাশি নৌ-পুলিশের স্পিড বোটে মাইকিং করা হচ্ছে কোনো মরদেহ দেখতে পেলে তাদের জানাতে। তবে ঘাট এলাকায় নিখোঁজের সন্ধানে অপেক্ষারত কোনো স্বজনের দেখা মেলেনি।
বুধবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা ‘সৌহার্দ্য পরিবহনের’ একটি বাস দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে পড়ে পদ্মা নদীতে ডুবে যায়।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। এরপর বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা এসে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
প্রথমে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর ক্রেন দিয়ে যখন বাসটি তোলা হলো তখন সংখ্যাও বাড়তে থাকে।
ফায়ার সাভিসের উপ-সহকারী পরিচালক সোহেল রানা বলেন, এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে কারও নিখোঁজের তথ্য নিয়ে ঘাট এলাকায় কেউ আসেনি।
“তবে একজন নিখোঁজের সংবাদ আমরা পেয়েছি। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত না যে তিনি ওই বাসের যাত্রী ছিলেন কিনা। তারপরও আমরা উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছি।”
আরও পড়ুন:
