০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

বাগেরহাটে সাবেক ইউপি সদস্য ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 02 Oct 2026, 01:29 PM

Updated : 02 Oct 2026, 02:04 PM

বাগেরহাটের দুই উপজেলা থেকে সাবেক এক ইউপি সদস্য এবং এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার বেলা ১২টায় ফকিরহাট উপজেলার পাগলা দেয়াপাড়া গ্রামের বাড়ি থেকে সাবেক ইউপি সদস্য এবং বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চিতলমারী উপজেলার চৌদ্দহাজারী গ্রাম থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।

তাদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম জানিয়েছেন।

মৃতরা হলেন-ফকিরহাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য পাগলা দেয়াপাড়া গ্রামের মশিউর রহমানের ছেলে ৮০ বছর বয়সী শেখ মুজিবুর রহমান এবং চিতলমারী উপজেলার চৌদ্দহাজারী গ্রামের কাশেম তালুকদারের স্ত্রী রহিমা আক্তার।

রহিমা আক্তারের ফুফাতো ভাই আলমগীর মুসাইদ বলেন, “২০২২ সালে পারিবারিকভাবে আমার বোনের সঙ্গে কাশেমের বিয়ে হয়। আমার ঝুলন্ত লাশ দেখে আত্মহত্যা বলে মনে হয়নি। বরং মনে হয়েছে, তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

সংসারের ছোটখাটো বিষয় নিয়ে রহিমার সঙ্গে তার শাশুড়ির প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। এর জেরে শাশুড়ি রহিমাকে হত্যা করেছেন বলে দাবি করেছেন স্বজনরা।

তবে শ্বশুর মিলন তালুকদারের দাবি, “বৃহস্পতিবার রহিমার হঠাৎ প্রেশার কমে যায় এবং মাথায় প্রচণ্ড যন্ত্রণা শুরু হয়। এ সময় আমার ছেলে তার জন্য পাশের বর্তি বাজার থেকে ওষুধ আনতে যায়। এ সুযোগে রহিমা গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে।”

তার ভাষ্য, “রহিমা প্রায়ই মাথার যন্ত্রণায় ছটফট করতেন।” যন্ত্রণা সহ্য না করতে পেরে সে আত্মহত্যা করেছে দাবি শ্বশুরের।

পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম বলেন, “ঘরের বিছানা থেকে সাবেক ইউপি সদস্য শেখ মুজিবর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার বাড়িতে কেউ ছিল না। অন্যদিকে ঘরের আড়ার সঙ্গে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূ রহিমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।”

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।