Published : 25 Jul 2025, 06:14 PM
ঢাকা উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভেতর বিমান বাহিনীর যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনার পর জনবহুল এলাকায় প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
তিনি বলেন, “ভবিষ্যতেও আমরা উপলব্ধি করব, সজাগ হব, সতর্ক হব। জনবহুল এলাকায় প্রশিক্ষণ করা যায় না। প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়নের জায়গা এখানে নয়, এটা জনবহুল এলাকার বাহিরে। কক্সবাজার হতে পারত। সেখানে সমুদ্রে পাড়ে কিংবা নদীর পাড়ে অন্যথায় হতে পারত।”
শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার সোহাগপুরে মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত শিক্ষিকা মাসুকা বেগমের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপির নেতাকর্মীরা কবরের পাশে দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করেন। পরে ফাতেহা পাঠ করে মোনাজাত করেন তারা।
বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ নিয়ে বিএনপি নেতা এ্যানি বলেন, “যশোরে এ ধরনের প্রশিক্ষণ হয় বলে আমরা জানি, সেখানে হতে পারত; অথবা যেখানে শীতের মৌসুমে অনেক সময় সামরিক মহড়া হয়।
“এ ধরনের মহড়া হওয়ার ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন ও শান্তিপূর্ণ এলাকায় হওয়া উচিত ছিল কিন্তু কেন এখানে হলো সেটা তদন্তে বেরিয়ে আসবে।”
যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনাকে দুর্ঘটনা বলে এড়িয়ে না গিয়ে তা তদন্তের দাবি করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব।
তিনি বলেন, “আমরা যারা রাজনীতি করি, সব রাজনৈতিক দলেরই নেতাকর্মীদের মানবিক ও সামাজিক দিক আছে। আমরা তাকে প্রাধান্য দিয়ে এখানে উপস্থিত হয়েছি। দেশটা রক্ষা করা এবং সামনের দিকে নিয়ে যাওয়া ও নতুনভাবে নির্মাণ করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
“এই দায়িত্ব থেকে মনে করি সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে। যে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন আমরা ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে করেছিলাম, লড়াই করেছিলাম এবং সংগ্রাম করেছিলাম।”
মাইলস্টোন স্কুলে হতাহতদের পাশে সবাইকে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে এ্যানি বলেন, “এটি দুর্ঘটনা হলেও সরকারে দায়িত্ব তাদের পাশে দাঁড়ানো। বিএনপি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরামর্শে এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে প্রতিটি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং দাঁড়াব।”
এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।