১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

‘কুপ্রস্তাবে’ সাড়া না পেয়ে নারীকে হত্যায় চাচাতো দেবরের মৃত্যুদণ্ড

নেত্রকোণার পূর্বধলায় ২০২০ সালে ৩ অক্টোবর ঘুমন্ত লিপি আক্তারের শ্বাসনালী কেটে তাকে হত্যা করেন রাসেল মিয়া।

নেত্রকোণা প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Jul 2025, 02:32 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:26 PM

নেত্রকোণার পূর্বধলায় এক নারীকে গলা কেটে হত্যায় তার চাচাতো দেবরের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় দেন বলে জানিয়েছেন আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলী (পিপি) আবুল হাসেম।

দণ্ডিত মো. রাসেল মিয়া (২৮) পূর্বধলা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. আলাল উদ্দিনের ছেলে। রায়ের সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। 

নিহত নারী লিপি আক্তার (৩০) একই গ্রামের মো. আজিজুল ইসলামের স্ত্রী।  আজিজুল বিজিবির পঞ্চগড় ব্যাটালিয়ন-১৮ এর ল্যান্স নায়েক। 

মামলার বরাতে পিপি আবুল হাসেম বলেন, চাকরির কারণে লিপি আক্তারের স্বামী বাড়িতে থাকতেন না। এই সুযোগে আজিজুলের চাচাতো ভাই রাসেল মিয়া লিপি আক্তারকে ‘কুপ্রস্তাব’ দিয়ে উত্যক্ত করে আসছিলেন। কিন্তু লিপি তাতে সায় না দেয়ায় রাসেল ক্ষিপ্ত হন। 

“এর জেরে ২০২০ সালে ৩ অক্টোবর রাত আড়াইটার দিকে ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় অ্যান্টিকাটার দিয়ে শ্বাসনালী কেটে লিপি আক্তারকে হত্যা করেন রাসেল মিয়া।” 

এ ঘটনায় লিপি আক্তারের বড় বোন ফেরদৌসী বেগম থানায় হত্যা মামলা করেন। 

পিপি আবুল হাসেম আরও বলেন, মামলার বিচার কাজ চলার সয়য় ১৫ জনের সাক্ষীর পাশাপাশি আসামি রাসেল মিয়াও হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দী দেন।

পরে বৃহস্পতিবার বিচারক হত্যা মামলাটির রায়ে রাসেল মিয়াকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দিয়েছেন। 

একই রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে বলেও জানান রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী।