Published : 30 Sep 2025, 04:29 PM
ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হওয়ায় পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় ট্রেনযাত্রীদের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন।
সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শরৎনগর স্টেশনে ‘একতা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের যাত্রীদের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান ভাঙ্গুড়া থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম।
আহতদের মধ্যে স্থানীয় যুবক কামরুল হাসান রিফাত ও আকাশ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে ট্রেনের আহত যাত্রীদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও রেলওয়ে বিভাগ জানায়, রোববার ভাঙ্গুড়া স্টেশনে ‘পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের’ ইঞ্জিনসহ দুটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় রেললাইনের ক্ষতি হয়। লাইন মেরামতের কারণে সোমবার রাতে ‘একতা এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি শরৎনগর স্টেশনে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে রাখতে হয়।
ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় ক্ষুব্ধ যাত্রীরা হঠাৎ স্টেশন মাস্টারের ওপর হামলার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে যাত্রীরা দলবেঁধে নেমে সেখানে হইচই করতে থাকেন। এ সময় স্থানীয়রা বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।
যাত্রীরা স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলামকে ধাওয়া দিলে তিনি পার্শ্ববর্তী মসজিদে আশ্রয় নেয়। তবে যাত্রীরা নজরুলের পিছু নিয়ে মসজিদে ঢুকে হামলা চালায়। এক পর্যায়ে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সবাইকে গ্রামবাসীকে জড়ো করা হয়।
কয়েক মিনিটের মধ্যে শত শত গ্রামবাসী লাঠিসোঁটা নিয়ে যাত্রীদের প্রতিহত করেন। পরিস্থিতি খারাপ দেখে শেষ পর্যন্ত যাত্রীরা পালাতে বাধ্য হন। খবর পেয়ে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
পরে ট্রেনটিকে স্টেশন থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে জানান ওসি শফিকুল ইসলাম।