১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্লিস হাসপাতালে দেড় মাসের ব্যবধানে ফের আগুন

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 16 Sep 2026, 01:58 AM

Updated : 17 Sep 2026, 03:00 AM

সাতক্ষীরার বেসরকারি ‘ব্লিস হাসপাতালে’ প্রায় দেড় মাসের ব্যবধানে আবারও আগুনের ঘটনা ঘটেছে। 

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালের নিচতলায় অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখার স্থানে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে পুরো বেজমেন্ট ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। আতঙ্কে হাসপাতালের বিভিন্ন তলায় থাকা রোগী ও স্বজনেরা দ্রুত নিচে নেমে আসেন।

ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হাসপাতালের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। 

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত ৪ আগস্ট দুপুরে সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের চৌরঙ্গী মোড়ে অবস্থিত ব্লিস হাসপাতালে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। 

আবারও একই হাসপাতালের অক্সিজেন ব্যবস্থাপনার এলাকায় আগুনের ঘটনা ঘটায় রোগী, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। 

হাসপাতালের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, অক্সিজেন সিলিন্ডার সংরক্ষণ ও কারিগরি ব্যবস্থাপনা যথাযথভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রোগীদের স্বজনদের অনেকে।

মঙ্গলবার রাতের আগুনের পর সংবাদমাধ্যম কর্মীরা হাসপাতালে গেলে তাদের ঢুকতে বাধা দেন সেখানকার কর্মীরা।

এ ঘটনায় মধ্যরাত পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

রাত সাড়ে ১১টায় সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বেজমেন্ট পুরোপুরি ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন দেখতে পান। হাসপাতালের কর্মীরা আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন না থাকায় এবং তাৎক্ষণিক ঝুঁকি না থাকায় রোগীদের একসঙ্গে সিঁড়ি দিয়ে নামতে নিষেধ করা হয়। 

তার ভাষ্য, একসঙ্গে অনেক রোগী নামতে গেলে হুড়োহুড়িতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

বারবার একই জায়গায় এমন ঘটনা ঘটার কারণ সম্পর্কে নূরুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালটি বহুতল ভবন হওয়ায় বিভিন্ন তলায় অক্সিজেনের লাইন রয়েছে। বেজমেন্টে থাকা অক্সিজেন সিলিন্ডারের চাপ সামলাতে না পারার কারণে পাইপে ত্রুটি তৈরি হয়ে সেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে তার প্রাথমিক ধারণা। তবে বিষয়টি কারিগরি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে।