Published : 28 Nov 2025, 02:29 PM
স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী ময়মনসিংহের দুই বীর ফিরোজ ও জাহাঙ্গীরের মৃত্যুর দিনটিতে তাদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেছে জেলার সাংস্কৃতিক কর্মীরা।
শুক্রবার সকালে গণসাংস্কৃতিক সংগঠন সমাজ রূপান্তর সাংস্কৃতিক সংঘের উদ্যোগে নগরের শহীদ ফিরোজ-জাহাঙ্গীর চত্বরে দুই শহীদের সমাধিতে ফুল দিয়ে এ শ্রদ্ধা অর্পণ করা হয়।
এ সময় সমাজ রূপান্তরের সংগঠক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “এদেশে যুগে যুগে ফিরোজ-জাহাঙ্গীররা জীবন উৎসর্গ করেন একটি সুন্দর সাম্যের আগামীর জন্য। যেখানে মানুষ তার মৌলিক অধিকার ভোগ করবে। দেশ হবে সকলের। রাষ্ট্রযন্ত্র নিবেদিত থাকবে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের তরে। কিন্তু শহীদদের আশা-আকাঙ্ক্ষা যুগে যুগে আর বাস্তবায়ন হয় না।
“শাসক আসে-শাসক যায়, ফিরোজ-জাহাঙ্গীরদের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায়। ময়মনসিংহের শহীদ ফিরোজ-জাহাঙ্গীর এর আত্মত্যাগ সেদিনই স্বার্থক হবে যেদিন তাদের কাঙ্খিত মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হবে বাংলার মাটিতে।”
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজ রূপান্তরের সংগঠক মো. রেজাউল ইসলাম, মো. শাফিয়েল আলম, শাহরিয়ার আহমেদ আশিক, সাদ্দাম হোসেন রিমন, মো. আবীর হোসেন, আবু সাইফ মুহম্মদ সাইফুল্লাহ।
১৯৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে মহাকালী স্কুলের সম্মূখ সড়কে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের মিছিলে বিনা উস্কানীতে সরাসরি গুলি করে পুলিশ। এতে মিছিলে থাকা ছাত্রনেতা শেখ মো. ফিরোজ ও মো. জাহাঙ্গীর আলম নিহত হন।
ফিরোজ ছিলেন নাসিরাবাদ কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ও বাংলাদেশ বিপ্লবী ছাত্রসংঘ ময়মনসিংহ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং জাহাঙ্গীর ছিলেন ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ও জাসদ সমর্থিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একই ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক।