Published : 17 Nov 2025, 04:37 PM
বেনাপোল বন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আর্মড ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যদের তুলে নেওয়া হয়েছে। সেখানে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে জেলা পুলিশের সদস্যদের।
৪০ সদস্যের এই দলের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ১৫ জন পুলিশ সোমবার সকাল থেকে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ও পাসপোর্টধারীদের নিরাপত্তার কাজ শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন রেজা।
বাকিরাও দু-একদিনের মধ্যে যোগ দেবেন বলে জানান তিনি।
এর আগে গত ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি সাহাজাদা মো. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়।
চিঠিতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মরত ৪০ জন এপিবিএন পুলিশ সদস্যকে তুলে নেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি আব্দুলাহ আল মামুন বলেন, “ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আজ (সোমবার) থেকে জেলা পুলিশ সদস্যরা বন্দরে নিরাপত্তায় কাজ শুরু করেছে।”
বেনাপোল বন্দরের নিরাপত্তা বাড়াতে ২০১২ সালের ৭ জুলাই বেনাপোল বন্দরে এপিবিএন সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়। বন্দরটিতে এপিবিএন ছাড়াও ১৬৩ জন আনসার সদস্য ও ১৪০ জন বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার কর্মী রয়েছে।
তারা বন্দরের ৯৩ একর জমিতে স্থাপিত ৩৪টি ওয়্যারহাউস ও একটি কার্গো ভেহিকেল টার্মিনালের নিরাপত্তা এবং পাসপোর্টধারীদের ভ্রমণসংক্রান্ত নিরাপত্তায় কাজ করে থাকে।
বেনাপোল স্থলবন্দর পরিচালক শামিম হোসেন রেজা জানান, জাতীয় নির্বাচনে আর্মড ব্যাটালিয়ন পুলিশের প্রয়োজন হওয়ায় বন্দর থেকে ৪০ জন আর্মড পুলিশ প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আপাতত পোর্ট থানা-পুলিশের ১৫ সদস্য কাজ শুরু করেছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলা পুলিশ সদস্যরা যোগ দেবেন।
এসব পুলিশ সদস্য বন্দরের নিরাপত্তাজনিত সব বিষয়ে সহযোগিতা করবেন।