Published : 01 Feb 2026, 02:16 PM
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নিরপেক্ষতার ক্ষেত্রে কমিশন অত্যন্ত শক্ত অবস্থান নিয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবু ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, “সবাইকে শতভাগ নিরপেক্ষ থেকে কাজ করতে হবে। আমাদের কাছে ছোট দল-বড় দল, হেভিওয়েট প্রার্থী-লাইট ওয়েট প্রার্থী নেই। আমাদের কাছে সকলেই সমান। সবাইকে সমানভাবে ট্রিট করতে হবে।
“এই নির্দেশনার পর কেউ যদি পক্ষপাতিত্ব করেছেন বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে পরিণতি খুব খারাপ হবে। নির্বাচন কমিশন খুব কঠিন হবে এ ব্যাপারে।”
রোববার সকালে বরিশাল সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ডিজিটাল ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ডিজিটাল ও অবজারভেশন টিমের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “নির্বাচন ভালো করার পূর্বশর্ত হলো আপনারা যদি ইউনাইটেড থাকেন। এই সভার উদ্দেশ্যে হলো একটি ইউনাইটেড টিমকে একই প্লাটফর্মে দেখা। একই সাথে বোঝানো ইউনিটির মানে কি ? প্রয়োজনীয়তা কি?
সানাউল্লাহ বলেন, “আপনাদের একটি মেসেজ এস্টাবলিস্ট করতে হবে, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আপনারা ইউনাইটেড। বরিশালে এটা হয়েছে। তাই আমরা আশা করছি, বরিশালে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।”
নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আমাদের পছন্দ-অপছন্দ ব্যক্তি নাগরিক হিসেবে ভোট দেয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এখন থেকে নির্বাচন পর্যন্ত কোথাও নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা আথিতেয়তা গ্রহণ করতে পারবেন না।
প্রবাসীদের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরণের কারচুপির সুযোগ নেই জানিয়ে সানাউল্লাহ বলেন, “ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে লাইভ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং ব্যালটের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।”
তিনি বলেন, “প্রবাসীদের জন্য ব্যবহৃত ব্যালটে মোট ১১৯টি প্রতীক থাকবে। ফলে খাম খোলা ও সঠিকভাবে ভোট গণনায় তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগবে। ভোটকেন্দ্রে শুধুমাত্র প্রিজাইডিং অফিসার কলম নিয়ে যেতে পারবে, অন্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা পেন্সিল নিয়ে যাবেন।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা খায়রুল আলম সুমন। এ সময় বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।