Published : 06 May 2026, 07:37 PM
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
বুধবার সন্ধ্যায় নেত্রকোণার মদন আমলি আদালতের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম মোহসিনা ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলে আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) সোহরাওয়ার্দী জানান।
সাগর উপজেলার হযরত ফাতেমাতুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।
জিআরও বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছেন। রিমান্ডের শুনানির জন্যে বৃহস্পতিবার তারিখ দিয়েছেন বিচারক।
মঙ্গলবার রাত সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে সাগরকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১৪। বিকালে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মামলার বরাতে পুলিশ জানায়, সাগর তার নিজের মাদ্রাসায় একটি শিশুকে বেশ কয়েকদিন ধর্ষণ করেন। এতে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। চিকিৎসকের কাছে গেলে বিষয়টি ধরা পড়ে।
২৩ এপ্রিল থানায় সাগর ও তার ভাই মামুন মিয়াকে আসামি করে মামলা করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা। বাদীর অভিযোগ, টাকা দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা ও মীমাংসার চেষ্টা করেছিলেন সাগর।
মামলার পর থেকেই শিক্ষক সাগর মাদ্রাসা বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান।
আরও পড়ুন:
নেত্রকোণায় শিশু ‘ধর্ষণ’: জিজ্ঞাসাবাদে কিছুই ‘স্বীকার করেননি’ মাদ্রাসাশিক্ষক
নেত্রকোণায় শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় সেই মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার