Published : 22 Aug 2026, 04:59 PM
কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকায় মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে।
শনিবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়ি দেশে প্রবেশ করে বলে জানিয়েছেন ভোমরা স্থলবন্দরের অফিসার ইনচার্জ সজিব বালা।
মো. আলিমুজ্জামান সাজু কালীগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মো. ইউনুস আলী সরদারের ছেলে এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতীর খালাতো ভাই। তিনি সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল (সেটেলমেন্ট অফিসের পাশে) এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।
সাজুর খালাতো ভাই তাহমিদ শাহেদ চয়ন বলেন, চিকিৎসা নিতে ভারতের বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন সাজু। চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পথে কলকাতার ওই হোটেলে ওঠেন তিনি।
নিহতের আপন ভাই মাহমুদুজ্জামান দিপু বলেন, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে সাজুর দাফন কাজের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় ২টার দিকে কলকাতার নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় হোটেল শিখা ইন-এ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা আশপাশের ভবনগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
ওই হোটেলে আগুনে পুড়ে ও দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে ৯ জনের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি আছেন।
তারা হলেন, সাতক্ষীরা শহরের বাসিন্দা মো. আলিমুজ্জামান সাজু, কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা রেবতী সরকার, কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ায় সংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৪০), তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন (২৫), তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত এবং শ্বশুর মো. আকরাম আলী (৬৪), সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকার আহম্মেদ বাবু ( ৩৭ )।
এদিকে সাতক্ষীরার অপর নিহত রেবতী সরকারের মরদেহ ভারতেই সৎকার কাজের জন্য কার্যক্রম চালাতে বলেছেন বাংলাদেশি স্বজনরা।
আগের সংবাদ
কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: সাতক্ষীরার দুজনের মরদেহ দেশে ফেরানোর অপেক্ষা
ফলস সিলিংয়ের ফাঁক দিয়ে ঘরে ছড়ায় ধোঁয়া, মেঝে ও বাথরুমে পড়ে ছিল ..