Published : 20 Aug 2026, 08:33 PM
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করা হয়েছে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাম্যাচিংকে।
চেয়ারম্যানসহ ১৫ সদস্যের পুনর্গঠিত জেলা পরিষদের তালিকা প্রকাশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঙ্গল চন্দ্র পাল স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
মাম্যাচিং বর্তমানে জেলা বিএনপির সদস্য। তিনি ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের আমলে এক মেয়াদে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়া ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য ছিলেন।
পুনর্গঠিত পরিষদের অন্য সদস্যরা হলেন- চনুমং মারমা, মংক্যনু মারমা, লুসাইমং মারমা, মাও সেতুং তঞ্চঙ্গ্যা, দনওয়াই ম্রো, আগষ্টিন ত্রিপুরা, অংজাই উউ চাক, রিয়াল দাও বম, আবদুল মাবুদ, মশিউর রহমান, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ক্যউপ্রু খিয়াং, উম্যাসিং মারমা ও কাজী নিরুতাজ বেগম।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে থানজামা লুসাই বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার জায়গায় মাম্যাচিংকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুনর্গঠিত অন্তর্বর্তী পরিষদ পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯ এবং এর সংশোধিত বিধান অনুযায়ী পরিষদের দায়িত্ব পালন করবে।
১৯৮৯ সালের আইনে ৩৩ সদস্যের জেলা পরিষদ নির্বাচনের বিধান থাকলেও বিভিন্ন সময়ে দলীয় সরকারের আমলে মনোনীত সদস্যরা পরিষদের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৪ সালের সংশোধনীতে বান্দরবান জেলা পরিষদের জন্য চেয়ারম্যানসহ ১৫ সদস্যের অন্তর্বর্তী পরিষদের কাঠামো নির্ধারণ করা হয়।
আইনে চেয়ারম্যান পাহাড়ি সম্প্রদায় থেকে করার পাশাপাশি বিভিন্ন জাতিসত্তার প্রতিনিধিত্বের বিধান রয়েছে। এতে মারমা সম্প্রদায় থেকে তিনজন, চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা থেকে একজন করে এবং ত্রিপুরা, ম্রো ও চাক সম্প্রদায় থেকে একজন করে সদস্য রাখার কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া বম, পাংখোয়া ও লুসাই সম্প্রদায় থেকে একজন, খিয়াং ও খুমী সম্প্রদায় থেকে একজন, বাঙালি সম্প্রদায় থেকে তিনজন এবং পাহাড়ি ও বাঙালি সম্প্রদায় থেকে একজন করে নারী সদস্য রাখার বিধান রয়েছে।