Published : 02 Apr 2026, 07:58 PM
চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় জাটকা ধরার অপরাধে ২৬ জেলেকে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া আরও দুই জেলে অসুস্থ এবং চারজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাদের মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এ তথ্য জানান চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক।
আসামিরা হলেন- আব্দুর রহমান খান (২৮), বাবুল মাঝি (২২), মো. জাকির হোসেন (২৭), মনু মিয়া গাজী (২৮), মো. আমন (১৮), জিল্লু মাঝি (৩০), আওলাদ বন্দুকসী (২৮), ফরিদ বন্দুকসী (৩০), ইব্রাহীম খান (৩০), হাবিব খান (৪০), জাহিদুল ইসলাম (২৭), মো. মোশাররফ মাঝি (২৪), মো. ইউসুফ মাঝি (২৩), হারুন খান (৫০), শাহজাহান শেখ (৪৫), রুস্তম হাওলাদার (৩২), আব্দুল কাদির ঢালি (৬০), বাসু ঢালী (৩০), দুলাল দিদার (৫৫), শাকিল হাওলাদার (১৯), শিপন সিকদার (২৯), তানভীর হাওলাদার (১৮), মানিক জমাদ্দার (২৭), আকাশ খান (২৪), ইমান গাজী (৩০), রুবেল ছৈয়াল (২০), মো. ছাত্তার গাজী (৩২), সাগর হাওলাদার (১৯)।
এদের বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
সদর উপজেলা মৎস্য কার্যালয় থেকে জানানো হয়, বুধবার বিকাল ৫টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত আখনের হাট থেকে বহরিয়া পর্যন্ত মেঘনা নদীর উপকূলীয় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে টাস্কফোর্স।
এ সময় জাটকা ধরা অবস্থায় হাতেনাতে ৩২ জেলে আটক, দুটি মাছ ধরার নৌকা জব্দ, পাঁচ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও আনুমানিক ২০ কেজি জাটকা জব্দ করা হয়।
মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, অভিযানে আটক জেলেদের বিরুদ্ধে নৌ থানায় মৎস্য আইনে ১০টি নিয়মিত মামলা হয়েছে। জব্দ কারেন্ট জাল ও নৌকা থানা হেফাজতে রয়েছে। জাটকাগুলো গরিবদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, অভিযানে চাঁদপুর নৌ থানার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।