১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

বিধি লঙ্ঘন: শেরপুর-১ আসনে বিএনপি, জামায়াতসহ ৩ প্রার্থীকে শোকজ

আগামী ২২ জানুয়ারি নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে হাজির হয়ে প্রার্থীদের লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিধি লঙ্ঘন: শেরপুর-১ আসনে বিএনপি, জামায়াতসহ ৩ প্রার্থীকে শোকজ
বিএনপি প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, জামায়াত প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

শেরপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 Jan 2026, 05:54 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:36 PM

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে শেরপুর-১ আসনে বিএনপি, জামায়াতসহ তিন প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিস (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। 

সোমবার সন্ধ্যায় আলাদা চিঠিতে তাদের শোকজ করার কথা জানিয়েছেন শেরপুর-১ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির যুগ্ম জেলা জজ তানভীর আহমেদ।

শোকজ পাওয়ারা হলেন- বিএনপি প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

শোকজ নোটিসে বলা হয়, নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ ও প্রচার শুরুর আগেই ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় শেরপুর-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা সদর উপজেলার জঙ্গলদি বাজারে এক কর্মী সমাবেশে ‘ধানের শীষে ভোট না দিলে কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না’ বলে বক্তব্য দেন।

আর জামায়াত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম তার নামের ফেইসবুক পেইজ থেকে দলীয় প্রতীকসহ পোস্টার-ছবি ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা এবং বিভিন্ন সমাবেশে অংশ নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন।

এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ ফেইসবুকে প্রতীকসহ পোস্টার-ছবি ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা এবং পথসভার মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দের আগেই নির্দিষ্ট প্রতীকের পক্ষে ভোট চাচ্ছেন।

তিন প্রার্থীর বিষয়গুলো গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর আর্টিকেল ৭৩ (৩) (বি) এবং রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫ এর বিধির লঙ্ঘন।

নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির যুগ্ম জেলা জজ তানভীর আহমেদ বলেন, ওই তিন প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। 

এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে কেন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না এবং অনুসন্ধান প্রতিবেদন কেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানো হবে না, সে বিষয়ে আগামী ২২ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে প্রার্থীরা জানিয়েছেন, তারা শোকজ নোটিস পেয়েছেন। যথা সময়ে নোটিসের জবাব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।