১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

রংপুর কারাগারে সংঘর্ষে কয়েদি নিহত, নিয়ন্ত্রণে পুলিশ-সেনা

সকাল থেকে শুরু হওয়া এ পরিস্থিতি পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জানান রংপুরের জেলা প্রশাসক মোবাশ্বের হাসান।

রংপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Aug 2024, 03:56 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:16 AM

রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক কয়েদি নিহত হয়েছেন।  

শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ পরিস্থিতি পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জানান রংপুরের জেলা প্রশাসক মোবাশ্বের হাসান।

প্রাথমিকভাবে নিহত কয়েদির নাম বাহরাইন বলে জানা গেছে। 

জেলা প্রশাসক বলেন, “কারাগারের ভেতর একটি গাছের আমড়া পেড়ে খাওয়া নিয়ে সকল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে বাহরাইন ও আরেক কয়েদির মধ্যে হাতাহাতি হয়। প্রথমে বাহরাইন তার প্রতিপক্ষকে ঝাড়ু দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। পরে প্রতিপক্ষের আরও লোকজন এসে বাহরাইনকে মারধর করলে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।”

রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের সংঘর্ষের ঘটনায় সেনাসদস্যদের সহায়তা চাওয়া হয়।

রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের সংঘর্ষের ঘটনায় সেনাসদস্যদের সহায়তা চাওয়া হয়।

তিনি বলেন, “এক কয়েদির মৃত্যুর পর কারাগারের ভেতর উত্তেজনা ছড়ায়। পরে দুপুর ১২টায় বাহরাইনের ভাই ভাঙ্গে অন্য কয়েদিদের নিয়ে আন্দোলন শুরু করে। এ নিয়ে কারাগারের ভেতর কয়েদিদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ঘ ঘটে। 

“এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে কারাগারের নিরাপত্তারক্ষীরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কারা কর্তৃপক্ষ তখন পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহায়তা চায়। তারা এসেছেন। এখন পরিস্থিতি শান্ত আছে।”  

খবর পেয়ে কারাগার পরিদর্শন করেছেন জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, এ ঘটনায় এরই মধ্যে দুই কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সন্ধ্যার মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের গেইটের মুদি দোকানদার আজাদ বলেন, “বেলা ১২টার দিকে হঠাৎ করে গুলির শব্দ শুনতে পাই। তখন দৌড়ে গিয়ে দেখি জেলখানার ভিতরে ফাঁকা গুলি করছেন কারারক্ষীরা।”