কুয়েতে ভিসা জালিয়াতি, বাংলাদেশির ৪ বছর কারাদণ্ড
পরিচ্ছন্নতাকর্মী বাংলাদেশির বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।
কুয়েতে অবৈধভাবে রেসিডেন্সি পারমিট বা আকামা কেনাবেচা, সরকারি নথি জালিয়াতি ও ঘুষ লেনদেনের দায়ে এক বাংলাদেশি নাগরিককে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।
একই মামলায় দুই মিশরীয় নাগরিককে পাঁচ বছর করে জেল এবং সংশ্লিষ্ট একটি পণ্য পরিবহন প্রতিষ্ঠানের ২০ হাজার কুয়েতি দিনার জরিমানা এবং ব্যবসায়িক লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কুয়েতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরব টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে দণ্ডপ্রাপ্তদের পুরো পরিচয় দেওয়া হয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রেসিডেন্সি অ্যাফেয়ার্স ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের তদন্তে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অবৈধভাবে রেসিডেন্সি পারমিটের ব্যবসা এবং সরকারি নথি জালিয়াতির বিষয়টি সামনে আসে। তদন্তে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আকামা-সংক্রান্ত অনিয়ম ও ঘুষ লেনদেনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।
মামলার রায়ে প্রথম মিশরীয় নাগরিককে দুই শ্রমিকের আকামা-সংক্রান্ত অনিয়মের দায়ে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার কুয়েতি দিনার জরিমানা করা হয়েছে।
দ্বিতীয় মিশরীয় নাগরিককে রেসিডেন্সি পারমিটের মেয়াদ বাড়ানোর কাগজপত্র জালিয়াতি ও ঘুষ গ্রহণের দায়ে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ কুয়েতি দিনার জরিমানা করেছেন আদালত।
একই মামলায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত এক বাংলাদেশি নাগরিককে ঘুষ গ্রহণের দায়ে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ কুয়েতি দিনার জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়া অবৈধ কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট পণ্য পরিবহন প্রতিষ্ঠানটিকে দুই শ্রমিকের প্রত্যেকের জন্য ১০ হাজার দিনার করে মোট ২০ হাজার কুয়েতি দিনার জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আরব টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়েতে অবৈধ আকামা বাণিজ্য, সরকারি নথি জালিয়াতি ও ঘুষ লেনদেনের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর তদন্তের ধারাবাহিকতায় এ মামলার বিচার ও রায় হয়েছে।
