Published : 07 Oct 2023, 08:46 PM
দুই সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও লক্ষ্মীপুর- ৩ আসনের উপনির্বাচনে দলীয় প্রতীক পেতে ৩০ জন নেতা মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।
এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জমা দিয়েছেন ১৬ জন, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে জমা দিয়েছেন ১৪ জন।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল।
আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান জানান, রোববার সন্ধ্যা ছয়টায় দলের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রতীক দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া এবং লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের এ কে এম শাহজাহান কামালের মৃত্যু হলে আসন দুটি শূন্য হয়। সংসদের আসন শূন্য হলে শূন্য ঘোষণার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা আছে।
আগামী ৫ নভেম্বর আসন দুটিতে ভোটের তারিখ দিয়ে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
এই উপনির্বাচনে উকিল সাত্তারের ছেলে মাইনুল হাসান তুষারের নৌকার মনোনয়ন চাওয়া নিয়ে বেশ আলোচনা তৈরি হয়েছে।
উকিল সাত্তার দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত। তিনি ২০১৮ সালে ধানের শীষ নিয়েই নির্বাচিত হন। গত বছরের ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের পর দলের অন্য সংসদ সদস্যদের মতো তিনিও পদত্যাগ করেন।
তবে শূন্য আসনে উপনির্বাচনে বিএনপিকে চমকে দিয়ে প্রার্থী হন সাত্তার। তাকে বহিষ্কার করে দল। ভোটে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা তার হয়ে কাজ করেন বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে আসে। ভোট শেষে সংসদে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসাও করেন তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে যারা চাইলেন মনোনয়ন
উকিল সাত্তারের ছেলে ছাড়াও নৌকা প্রতীক চেয়েছেন আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উপ-কমিটির সদস্য শাহজাহান আলম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান রতন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আবু শামীম মোহাম্মদ পিয়ার, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক শাহ মফিজ, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য কামরুজ্জামান আনসারী।
আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছফিউল্লাহ (হুমায়ুন মিয়া), সরাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিন ঠাকুর, সরাইল যুবলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ তানবির হোসেন কাউসার, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য মাসুদুর রহমান ও সরাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক জালাল মিয়াও জমা দিয়েছেন মনোনয়ন ফরম।
লক্ষ্মীপুর-৩ আসরে যাদের ফরম জমা
আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটির সদস্য খোকন চন্দ্র পাল ছাড়াও আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ গোলাম ফারুক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, সদস্য জাকির হোসেন (আজাদ ভুইয়া) ও কমিটির সাবেক সদস্য আবুল হাসেম চেয়েছেন মনোনয়ন।
এছাড়া মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সাত্তার, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাইফুল হাসান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ফাহিম কামাল চৌধুরী উপল, যুবলীগের সদস্য শওকত হায়াত, সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী সামীমা হায়দার চৌধুরী ও হাসিবুর রহিম, এম আলাউদ্দিন ও মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য জাকিয়া সৃজনী শিউলীও মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।