২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ: সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

গত ৬ জুলাই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচার শুরুর আদেশ দেয়।

সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ: সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

ফাইল ছবি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 21 Sep 2026, 02:45 PM

Updated : 21 Sep 2026, 02:45 PM

ঢাকার গুলশান-২ আবাসিক এলাকায় ২৭ কাঠা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের মামলায় খুলনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম সোমবার মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তৎকালীন উপপরিচালক ইয়াছির আরাফাত জবানবন্দি শোনেন।

এরপর আসামি মো. মাহবুবুল হকের পক্ষে তার আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম সাক্ষীকে জেরা শুরু করেন। তবে অন্য আসামিদের পক্ষে জেরার জন্য সময় চেয়ে আবেদন করা হলে আদালত আগামী ১ নভেম্বর অবশিষ্ট জেরার দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৬ জুলাই এ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচার শুরুর আদেশ দেয়।

প্রথম দফায় ১৯ অগাস্ট সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হলেও কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় সেদিন সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। পরে আদালত ২১ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করে দেয়।

সালাম মুর্শেদী ছাড়া মামলার অপর আসামিরা হলেন– রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম, প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) লে. কর্নেল (অব.) এম নুরুল হক, সাবেক পরিচালক আবদুর রহমান ভূঁঞা, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান, সাবেক শাখা সহকারী মো. মাহবুবুল হক, কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তাঁর ভাই মীর মো. নুরুল আফছার, ইফফাত হক এবং তাঁর স্বামী মোহাম্মদ আব্দুল মঈন।

গুলশানে পরিত্যক্ত সরকারি প্লট দখলের অভিযোগে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মামলা করে দুদক।

সে সময় সালাম মুর্শেদীকে মামলায় আসামি করা হয়নি। পরে তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সালাম মুর্শেদীসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা ‘পরস্পর যোগসাজশে এবং সরকারি কর্মচারী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে’ গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি)-২৭ নম্বর, হোল্ডিং নম্বর-২৯, রোড নম্বর-১০৪-এর ২৭ কাঠার পরিত্যক্ত সরকারি সম্পত্তি অবমুক্ত না করেই জালিয়াতির মাধ্যমে ‘মিথ্যা রেকর্ডপত্র’ তৈরি করেন।

পরে ওই রেকর্ডের ভিত্তিতে হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদনের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়।

সালাম মুর্শেদীকে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।