১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ইনকিলাব মঞ্চের আহতদের কেউ গুলিবিদ্ধ নয়: ঢাকা মেডিকেল

“যারা চিকিৎসা নিতে এসেছেন, তাদের কারো ভর্তি করার মতো আঘাতও নেই,” বলেন হাসপাতালের পরিচালক।

ইনকিলাব মঞ্চের আহতদের কেউ গুলিবিদ্ধ নয়: ঢাকা মেডিকেল
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 06 Feb 2026, 08:28 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:52 PM

পুলিশের সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের সংঘর্ষে আহত কাউকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এমনকি আহতদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি নেওয়ার মতো কেউ ছিল না বলেও ভাষ্য হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের।

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরের ‘গুলিবিদ্ধ’ হওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এ বক্তব্য এল।

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তরফেও দাবি করা হয় যে, শুক্রবার বিকালের বিক্ষোভ দমাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেনি।

এদিন সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “জাবেরের বাঁ পায়ের হাটুর উপরে জখমের চিহ্ন রয়েছে। এমন জখন নিয়ে তিন-চারজন চিকিৎসা নিচ্ছেন। সব মিলিয়ে ২২-২৩ জন এখানে এসেছেন।” 

যারা চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের মধ্যে জাবের ছাড়াও ইনকিলাব মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মুখপাত্র ও ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা ও রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার রয়েছেন।

এছাড়া মনির, ফয়সাল, জয়, জুলকার, মোশাররফ, নিলয়, অনিক, উমর, রাহাত, রাসেল, আহাদ, মাহিন, আজাদ, শামিম, সোহেল, শাওন, জাবেদ ও শামিম নামে কয়েকজন জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

রাতে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “চিকিৎসা নিতে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন, এমন কাউকে পাওয়া যায়নি।

“যারা আহত হয়েছেন, তাদের কারো কাঁদুনে গ্যাসের কারণে আঘাত লেগেছে, কারো লাঠির আঘাতে পেশিতে চোট লেগেছে। দুয়েকজনের শরীরের কোথাও কোথাও কেটে গেছে।”

যারা চিকিৎসা নিতে এসেছেন, তাদের কারো ভর্তি করার মতো ‘আঘাতও নেই’ জানিয়ে তিনি আরো বলেন, “আমরা তাদেরকে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দিচ্ছি, এরমধ্যে অনেকে চলেও গেছেন।”