১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

১৫ অগাস্টে ‘নাশকতার পরিকল্পনা’: গ্রেপ্তার হওয়া আরও ১৫ জন রিমান্ডে

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে গত ১৩ অগাস্ট এই ১৫ জনসহ ৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 23 Aug 2026, 05:02 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:53 PM

ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের গ্রেপ্তার হওয়া নেতাকর্মীদের মধ্য থেকে আরও ১৫ জনকে রিমান্ডে দিয়েছে আদালত।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াদ হাসান রিমান্ডের আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই কামাল হোসেন এ তথ্য দিয়েছেন। 

রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন— লিমন খান, দেওয়ান ইসমাইল, ফাহিম মিয়া, রতন, রাকিব ওরফে রাফি, রাতুল শীল, মিনারুল মিয়া, মাসুদ রানা ওরফে লিমু, জিহাদ হাসান, আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু, ফাহিম, শাকিল মিয়া, রাজিব, সানি ও রাজন মিয়া।

গত ১৩ অগাস্ট রাতে ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা একটি বাসা থেকে এই ১৫ জনসহ ৫৪ জনকে গ্রেপ্তারের কথা জানায় পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন বয়সে কিশোর। 

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ১৫ অগাস্ট ঘিরে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন।

গ্রেপ্তরের পরের দিন সবাইকে আদালতে তুলে ৫২ জনকে কারাগারে ও দুজনকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আবেদন করা হয়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে গেল ১৯ অগাস্ট যুবলীগ নেতা মোতালিব, মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান, শাহিন হোসেন ইমনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়।

নতুন রিমান্ডে যাওয়া ১৫ আসামিকেও তখন রিমান্ড নেওয়ার আবেদন করা হয়েছিল। আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির দিন রাখেন রোববার।

এদিন শুনানিকালে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী ইসলাম মিয়া রাকিব রিমান্ড বাতিল করে জামিন চান। শুনানি শেষে আদালত তাদের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।