Published : 10 Jan 2026, 10:04 PM
প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং তা মোকাবিলার উপায়ের বিষয়গুলো উঠে এসেছে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মার আলোচনায়।
শনিবার বিকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সাক্ষাতে তারা বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেন।
সাক্ষাতে থাকা বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবীর পরে বলেন, “ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিএনপির চেয়ারপারসনের জন্য যে শোকবার্তা দিয়েছেন আমাদের চেয়ারম্যান সাহেবকে…ওই চিঠিতে বলছেন যে, তারেক রহমানের নেতৃত্ব ‘নয়া দিগন্ত’ বা ‘সম্পর্কের নতুন পর্যায়’ হবে।
“আমরা আশা করি, ভালো আলোচনা হয়েছে। কীভাবে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া যায়, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ অবশ্যই আছে, সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আমরা এগিয়ে যাব।”
হুমায়ুন কবীর বলেন, “বিএনপি চেয়ারম্যানের নীতি হচ্ছে এই অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা। সব নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তবে বিস্তারিত নয়। কারণ এটা একটা সৌজন্য সাক্ষাৎ।”
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন ও প্রেস সচিব সালেহ শিবলীও সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শুক্রবার তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান হায়দার। এর পরদিন দেখা করলেন ভারতের হাই কমিশনার।
শনিবার বিকাল ৩টায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইভাবস সাক্ষাৎ তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রাতে দেখা করেন মিশর ও তুরস্কের রাষ্ট্রদূত। তারা আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করেন নিজ নিজ দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন। এ সাক্ষাতে বিএনপি মহাসচিবসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ ও যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবীর প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘‘আলোচনাগুলোতে উনারা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য শোকবার্তা নিজ নিজ সরকারের পক্ষ থেকে দিয়েছেন। দ্বি-পাক্ষিক আলোচনা হয়েছে।
“সরকার গঠন করলে কী ধরনের পরিকল্পনা বিএনপি চেয়ারম্যানের আছে, তা উনি তাদের বলেছেন। আন্তর্জাতিক নীতি কী হবে, দ্বি-পাক্ষিক কী ধরনের হবে, সেগুলো নিয়ে সৌহার্দমূলক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে।”