১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

হারানো সুর ফিরে আসে বারবার

উত্তম কুমার যদি বেঁচে থাকতেন, আজ তিনি শতবর্ষী হতেন। ১৯৮০ সালে তিনি মারা যান। তবে তিনি সেই তারকা, যার মৃত্যু হয় না।

হারানো সুর ফিরে আসে বারবার
উত্তম কুমার (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯২৬–২৪ জুলাই, ১৯৮০); সময়ের সীমানা পেরিয়ে আজও তিনি বাঙালির চিরন্তন স্মৃতিকাতরতা।

জয় প্রকাশ সরকার জয় প্রকাশ সরকার

Published : 03 Sep 2026, 02:46 PM

Updated : 17 Sep 2026, 02:53 AM

অতিরিক্ত দৃশ্যমানতার এই যুগে একজন অভিনেতা বারবার আমাদের অনেকগুলো প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেন। যিনি অভিনয় করেছেন বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশের থেকে সত্তরের দশকের মধ্যবর্তী সময়ে, যার শেষ সিনেমা মুক্তি পেয়েছে ১৯৮১ সালে, তিনি আজও কেন এত জীবন্ত? সোশ্যাল মিডিয়ার দাপটের এই যুগে, যখন হরহামেশা তারকা জন্ম নিচ্ছেন এবং হারিয়েও যাচ্ছেন ঝটপট, তখনও কী করে টিকে আছেন তিনি? শুধু টিকেই নেই, রীতিমতো বিরাজ করছেন। আজও ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’ গানটি বেজে উঠলে একটি গোটা প্রজন্ম চুপ করে যায়। একেবারে হাল আমলের প্রতিনিধিরাও তাকে চেনেন কী করে, একটি সিনেমাও হলে গিয়ে না দেখে?

প্রশ্নগুলো মাথায় রেখে যদি পেছন ফিরে তাকানো যায়, তাহলে একটা অদ্ভুত ব্যাপার চোখে পড়ে। ১৯২৬ সালে জন্ম নেওয়া, ১৯৮০ সালে মারা যাওয়া একজন মানুষ, যার কোনো সোশ্যাল মিডিয়া ছিল না, যার ছবি প্রতিদিন কারও ফোনের স্ক্রিনে ঢোকার কথা ছিল না, তিনি আজও বাঙালির ঘরে ঘরে বেঁচে আছেন। টিভিতে তার ছবি চলে বারবার, ইউটিউবসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তার গান ও ছবির দৃশ্য ঘুরেফিরে আসে। চলচ্চিত্র কিংবা মঞ্চনির্ভর দৃশ্যমানতার যুগ পেরিয়ে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন এই অতিরিক্ত দৃশ্যমানতার কালেও।

আজকের পৃথিবীটা একটু কল্পনা করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রথম যে কাজটা করা হয়, সেটা হলো ফোনের স্ক্রিন আনলক করা। সেখানে ফেইসবুক ও ইনস্টাগ্রাম রিল, ইউটিউব শর্টস, নেটফ্লিক্সের নতুন সিরিজ, ওটিটি প্ল্যাটফর্মের একগুচ্ছ নোটিফিকেশন। মুখের সংখ্যা অসীম। কেউ আজ ভাইরাল, আবার কাল হারিয়ে যাচ্ছেন। এমনও হচ্ছে, বাস্তবে যার কোনো অস্তিত্বই নেই, অর্থাৎ একটি এআই-জেনারেটেড মুখ, সেও লক্ষ লক্ষ ফলোয়ার নিয়ে ‘সেলিব্রিটি’ হয়ে উঠছে।

আর এই দৃশ্যমানতার প্লাবনের মাঝেও কেমন করে যেন দাঁড়িয়ে আছেন উত্তম কুমার। শুধু দাঁড়িয়েই নেই, অভিনেতার সীমানা ছাড়িয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন একটি ঘটনা, একটি সাংস্কৃতিক প্রপঞ্চ। কালের প্রতিনিধি হয়েও যিনি কালোত্তীর্ণ।

২.

তিন দশকেরও বেশি সময়ের চলচ্চিত্রজীবন ছিল উত্তম কুমারের। অন্তত তিনটি প্রজন্মের কাছে ছিলেন আইকন। উপহার দিয়েছেন ‘সাড়ে চুয়াত্তর’, ‘হারানো সুর’, ‘সপ্তপদী’, ‘নায়ক’, ‘অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি’, ‘চৌরঙ্গী’, ‘সাগরিকা’, ‘শিল্পী’, ‘পথে হলো দেরী’ বা ‘ওগো বধূ সুন্দরী’র মতো জনপ্রিয় চলচ্চিত্র।

একের পর এক চরিত্রে অভিনয় করেছেন। কখনও প্রেমিক, কখনও স্বামী, কখনও অভিমানী মানুষ, কখনও মধ্যবিত্ত চাকুরে, কখনও উচ্চাকাঙ্ক্ষী যুবক। খেয়াল করে দেখুন, এই সব চরিত্রের ভেতর দিয়ে একটা জিনিস বারবার ফিরে আসত। একটা নির্দিষ্ট ভঙ্গি, একটা কণ্ঠস্বর, একটা তাকানোর ধরন, যেটা দর্শক আলাদা করে চিনে নিতেন। ধীরে ধীরে এই ভঙ্গি, এই উপস্থিতিই একটা ভাষা হয়ে উঠল। পর্দায় যা করতেন, সেটা অভিনয় ছিল ঠিকই, কিন্তু তার প্রভাবটা অভিনয়ের সীমানা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

এখানেই দাঁড়িয়ে টের পাওয়া যায়, উত্তম কুমার আসলে শুধু অভিনেতা ছিলেন না। তিনি ছিলেন একটি ‘পাবলিক ইমেজ’ বা জনসমক্ষে নির্মিত একটি কল্পনা। তিনি পর্দায় চরিত্র অভিনয় করতেন ঠিকই, কিন্তু দর্শক তার মধ্যে নিজের কাঙ্ক্ষিত পুরুষটিকেও খুঁজে পেতেন। যে বাঙালি পুরুষ প্রেমে পড়তে চায় অথচ ভদ্রতা হারাতে চায় না, যে অভিমান করতে জানে অথচ কর্কশ হয় না, যে সফল হতে চায় অথচ শিকড় ভোলে না—এই সব আকাঙ্ক্ষা যেন উত্তম কুমারের অভিনয়ে প্রতিফলিত হতো।

কারও কাছে তিনি ছিলেন আদর্শ প্রেমিক, যিনি ‘সপ্তপদী’র কৃষ্ণেন্দুর মতো, প্রেমিকাকে নিয়ে ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’ গাইতে গাইতে সারা জীবন একসঙ্গে চলার স্বপ্ন দেখাতে পারেন। কারও কাছে তিনি আদর্শ স্বামী, ‘শাপমোচন’ বা ‘ইন্দ্রাণী’র সেই সংযত ও দায়িত্বশীল পুরুষ, যিনি রাগ করেন কিন্তু ছেড়ে যান না। কারও কাছে তিনি বন্ধু, ‘দেয়া নেয়া’র প্রাণোচ্ছল, দুষ্টুমিভরা যুবক, যিনি জমিদারবাড়িতে গান গাইতে গিয়েও মধ্যবিত্ত ছেলেটির আত্মসম্মান ভুলবেন না। কারও কাছে তিনি নিখাদ ভদ্রলোক, ‘নায়ক’ ছবির অরিন্দম মুখার্জীর মতো, যিনি তারকা হয়েও ভেতরে ভেতরে একা, ক্লান্ত, আর সেই ক্লান্তি লুকোতে সারাক্ষণ হাসেন।

বাংলা সিনেমার ইতিহাসে আর কোনো অভিনেতা একসঙ্গে এতগুলো সামাজিক ভূমিকা ধারণ করেছেন কিনা, সে নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। কিন্তু উত্তম কুমার ছিলেন মধ্যবিত্ত বাঙালির স্বপ্নের পুরুষের একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যাটালগ। রোমান্টিক, অথচ উচ্ছৃঙ্খল নন। আধুনিক, অথচ অভদ্র নন। অভিমানী, কিন্তু অহংকারী নন।

‘সপ্তপদী’র কৃষ্ণেন্দু, ‘হারানো সুর’-এর অলক, ‘সাড়ে চুয়াত্তর’-এর ভজহরি—চরিত্রগুলো আলাদা, কিন্তু প্রতিটির ভেতর দিয়ে একই মানুষ যেন বারবার ফিরে আসতেন, যাকে দর্শক প্রতিবার নতুন করে চিনতেন, আবার প্রতিবার আগে থেকেই চিনতেন।

এখানেই উত্তম কুমারের চিরকালীন তারকা হয়ে ওঠার গভীর মনস্তত্ত্বটির খোঁজ মেলে। একজন মানুষ যখন এতবার, এতরকমভাবে একটা সমাজের আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করেন, তখন তিনি আর নিছক অভিনেতা থাকেন না। তিনি হয়ে ওঠেন একটা সামাজিক কল্পনার নির্মাণ, এমন একটা আয়না, যেখানে গোটা একটা প্রজন্ম নিজের স্বপ্নকে দেখতে পায়। ‘নায়ক’ হয়ে ওঠেন ‘মহানায়ক’।

৩.

‘মহানায়ক’ শব্দটা আমরা যত সহজে ব্যবহার করি, ততটা তার মানে নিয়ে ভাবি না। মহানায়ক কে? যিনি সবচেয়ে বেশি ছবি করেছেন? উত্তম কুমার প্রচুর ছবি করেছেন ঠিকই, কিন্তু শুধু সংখ্যা দিয়ে কাউকে মহানায়ক বলা যায় না। যিনি সবচেয়ে বেশি ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিয়েছেন? বাণিজ্যিক সাফল্য একটা মাপকাঠি হতে পারে, কিন্তু তা দিয়েও পুরো ব্যাখ্যা মেলে না। তার সময়ে আরও অভিনেতা ছিলেন, আরও হিট ছবি হয়েছে। যিনি সবচেয়ে ভালো অভিনয় করেছেন? সেটাও তর্কসাপেক্ষ। ভালো অভিনয়ের সংজ্ঞা সময়ের সঙ্গে বদলায়। তার সময়ের বাংলা ছবিতে অন্য অনেক দক্ষ অভিনেতাও ছিলেন। ছবি বিশ্বাস ছিলেন, পাহাড়ী সান্যাল ছিলেন, বিকাশ রায় ছিলেন, উৎপল দত্ত ছিলেন। অভিনয়ের নিরিখে তাদের অনেকেই হয়তো অনেক জায়গায় উত্তম কুমারের চেয়েও তীব্র। কিন্তু উত্তম কুমার অভিনেতার চেয়ে বড় কিছু হয়ে গিয়েছিলেন।

আসল উত্তরটা অন্য জায়গায়। তিনি মহানায়ক, যিনি চলে যাওয়ার পরও মানুষের সাংস্কৃতিক অভিধান থেকে মুছে যাননি। কিছু তারকার মৃত্যু হয়, তাদের নাম আস্তে আস্তে ইতিহাসের পাতায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। উৎসাহী গবেষক ছাড়া কেউ আর তাদের কথা মনে রাখেন না। কিন্তু কিছু তারকার মৃত্যু হয় না। কারণ তাদের জায়গাটা শুধু চলচ্চিত্রের পর্দায় আটকে থাকে না; সেটা ঢুকে পড়ে মানুষের ব্যক্তিগত স্মৃতির ভেতরে এবং প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে পড়ে।

‘উত্তম কুমারকে দেখেই তো প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম’—এই বাক্যটা যখন কোনো দিদিমা বা ঠাকুমা তার নাতি বা নাতনিকে বলেন, তখন উত্তম কুমার আর শুধু একজন প্রয়াত অভিনেতা থাকেন না। তিনি হয়ে যান একটা পারিবারিক স্মৃতির অংশ, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে হাতবদল হওয়া একটা আবেগ। এই হাতবদলই তাকে মহানায়ক করে তোলে। তিনি আর তখন একজন ব্যক্তি নন, একটি ‘কালেক্টিভ ফ্যান্টাসি’ বা সামাজিক কল্পনার নির্মাণ।

৪.

উত্তম কুমারের কথা বলতে গেলে সুচিত্রা সেনের কথা এড়িয়ে যাওয়া যায় না। এড়িয়ে যাওয়া যায় না আরও অনেকের কথাই। কেন এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজাও জরুরি। না হলে উত্তম কুমারকেও শেষ পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যাবে না। অন্ধের হস্তী দর্শনের মতো অসম্পূর্ণ থেকে যাবে পুরো বিষয়টি।

‘সপ্তপদী’, ‘হারানো সুর’, ‘সাগরিকা’, ‘শিল্পী’—এই সব ছবির যে জাদু, সেটা তৈরি হয়েছিল অনেকগুলো উপাদানের সম্মিলনে। সুচিত্রা সেনের সঙ্গে তার পর্দা-রসায়ন, যেখানে দুজনের নীরবতাও সংলাপের মতো কথা বলত। সুচিত্রার চোখের গভীরতা না থাকলে উত্তমের রোমান্টিকতা এত তীব্র হতো না। তাদের প্রেম পর্দায় এত বিশ্বাসযোগ্য লাগত যে, দর্শক বিশ্বাস করতে চাইত যে এমন প্রেম বাস্তবেও সম্ভব। তারা দুজনে মিলে বাঙালিকে সেই সময়ে প্রেম করতে শিখিয়েছিলেন।

সেই সঙ্গে ভূমিকা রেখেছেন অগ্রদূতের মতো নির্মাতাদের দল—অজয় কর, নির্মল দে, সত্যেন বসু, তপন সিংহ ও সত্যজিৎ রায়ের মতো পরিচালকরা। গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার বা পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা দুর্দান্ত সব গান। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, শ্যামল মিত্র, মান্না দে, কিশোর কুমারের মতো কণ্ঠ, যা উত্তমের ঠোঁটে বসে অমর হয়ে গেছে।

‘মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে’, ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’, ‘আমি যামিনী তুমি শশী হে’, ‘এই মন জোছনায় অঙ্গ ভিজিয়ে’, ‘এই তো জীবন, যাক না যেদিকে চোখ যায়’, ‘জীবন খাতার প্রতি পাতায়’—গানগুলো শুনলে আজও মনে হয় উত্তম কুমারই গাইছেন।

সব মিলিয়ে একটা ‘কালচারাল ইকোসিস্টেম’ বা সাংস্কৃতিক বাস্তুতন্ত্র, যেখানে নায়ক, নায়িকা, চরিত্রাভিনেতা, পরিচালক, সুরকার, গীতিকার সবাই মিলে তৈরি করেছিলেন বিখ্যাত ‘উত্তম কুমার’ নামের মিথ। উত্তম কুমার নিজে অসম্ভব প্রতিভাবান ছিলেন, সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রতিভা একা মিথ তৈরি করে না। মিথ তৈরি হয় যখন একটা সময়, একটা সমাজ আর একজন মানুষ একই বিন্দুতে এসে মিলিত হয়।

৫.

উত্তম কুমার যদি বেঁচে থাকতেন, আজ তিনি শতবর্ষী হতেন। ১৯৮০ সালে তিনি মারা যান। তবে তিনি সেই তারকা, যার মৃত্যু হয় না। কারণ তার জায়গাটা শুধু পর্দায় নয়, মানুষের স্মৃতির ভেতরে।

আজকের অতিরিক্ত দৃশ্যমানতা মানুষকে অদৃশ্য করে দিচ্ছে। আমরা সবাইকে দেখছি, কিন্তু ভুলেও যাচ্ছি। উত্তম কুমারের যুগে দৃশ্যমানতা কম ছিল, তাই প্রতিটি দেখা ছিল উৎসব। মানুষ তার একটি ছবির জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করত। সেই অপেক্ষা তাকে স্থায়ী করেছে।

পাশাপাশি সেই সময় ও সমাজও রেখেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। প্রতিটি সময় ও সমাজ তার নিজের নায়ক নিজেই তৈরি করে। একটা প্রজন্ম যখন কারও দিকে তাকিয়ে বলে, ‘এই মানুষটাই আমাদের প্রতিনিধি’, তখন আসলে সে নিজের ভেতরের আকাঙ্ক্ষা আর নিজের অপূর্ণ স্বপ্নগুলো সেই মানুষটির মধ্যে স্থাপন করে। উত্তম কুমার তাই অভিনেতা থেকে একটা গোটা সমাজের ‘সেলফ-ইমেজ’ বা আত্মপ্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছিলেন।

মধ্যবিত্ত বাঙালি নিজেকে যেমন দেখতে চেয়েছিল—রোমান্টিক অথচ সংযত, উচ্চাকাঙ্ক্ষী অথচ শিকড়সচেতন, আধুনিক অথচ ভদ্র—উত্তম কুমার সেই সবকিছুর একটা জীবন্ত প্রতিরূপ হয়ে উঠেছিলেন পর্দায়। তবে উত্তম কুমার শুধু তার সময়ের প্রতিনিধি হননি, সময়কে অতিক্রম করে মহাকালের অংশ হয়ে গেছেন।

‘তুমি যে আমার’, ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’—এই গানগুলো যখন আজও কারও ঠোঁটে ফিরে আসে, বোঝা যায়, উত্তম কুমার অতীতের কোনো মানুষ নন। তিনি একটা চলমান বর্তমান, যিনি নতুন প্রজন্মের হাত ধরে নিজেকে আবার নতুন করে জন্ম দেন। হারানো সুর তাই ফিরে আসে বারবার।

জয় প্রকাশ সরকার লেখক ও সাংবাদিক। ইমেইল: jps.news.bd@gmail.com