১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চিকিৎসা নিতে যারা বিদেশ যায়, অকারণেই যায়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

“তাদের আমেরিকার সুযোগ সুবিধা দিলেও তারা বাংলাদেশে থাকবে না।”

চিকিৎসা নিতে যারা বিদেশ যায়, অকারণেই যায়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, ইমার্জেন্সি কমপ্লেক্স ও আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। 

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 10 May 2023, 06:02 PM

Updated : 10 May 2023, 06:02 PM

বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা আগের চেয়ে অনেক ‘উন্নত হওয়ার’ পরও অনেকে অকারণে বিদেশ যায় বলে মনে করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

কোভিড মহামারীর সময় বিদেশযাত্রা বন্ধ থাকার সময় তারা কীভাবে দেশে চিকিৎসা করেছেন, সেই প্রশ্নও রেখেছেন তিনি।

মন্ত্রী এও মনে করেন, দেশে ‘আমেরিকার মতো’ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হলেও বছরে কয়েক লাখ মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাবেই।

বুধবার ঢাকা ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, ইমার্জেন্সি কমপ্লেক্স ও আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধনে এসে এই প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

জাহিদ মালেক বলেন, “বর্তমান সরকারের সময়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসক, নার্স, হাসপাতালের শয্যা সবই বেড়েছে।”

দেশের বাইরে যাওয়া মানুষের সংখ্যাটি ‘খুব বেশি নয়’ বলেও মনে করেন তিনি। বলেন, “১৭ কোটি লোকের চিকিৎসা এই দেশেই হয়। আমরা হিসাব করে দেখেছি, সবচেয়ে বেশি মানুষ চিকিৎসা নিতে ভারত যায়, দুই থেকে তিন লাখ লোক।

“তাদের আমেরিকার সুযোগ-সুবিধা দিলেও তারা বাংলাদেশে থাকবে না। যাদের টাকা আছে, তারা আমেরিকায়ও যাবে। সিঙ্গাপুরে যাবে, থাইল্যান্ডে যাবে, দিল্লিতে যাবে।”

লকডাউন থাকার সময় বিদেশ যাত্রা যখন বন্ধ ছিল, সে সময় এই বিদেশগামীরা কী করেছেন- সেই প্রশ্ন রেখে মন্ত্রী বলেন, “তখন চিকিৎসাটা কোথায় করেছে তারা? এই দেশেই চিকিৎসা করেছে, এই দেশের ডাক্তাররা, নার্সরা, এই দেশের হাসপাতালই তাদের চিকিৎসা দিয়েছে।”

বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর দেশের অধিকাংশ রোগীর আস্থা আছে বলেও বিশ্বাস করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “তাহলে হাসপাতালে এত রোগী আসত না। বেডের এত চাহিদা থাকে কীভাবে? হৃদরোগ হাসপাতালে ৪০০ বেড ছিল, সেখানে বাড়িয়ে ১৩শ বেড করা হয়েছে গত চার বছরে। এখনও দুই-তিন শ রোগী বেড পায় না। সুতরাং চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো হয়েছে বলেই মানুষ চিকিৎসা নিতে আসে।”

শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, ঢাকা ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির ও পরিচালক বোরহান উদ্দিন হাওলাদার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।