Published : 07 Apr 2024, 06:31 PM
রবিশঙ্করের তৃতীয় স্ত্রী সুকন্যা শঙ্করের সংসারে জন্ম নেওয়া মেয়া আনুশকা শঙ্কর তার বাবার হাত ধরে সেতারবাদক হিসেবে নিজেকে পরিচিত করে তুলেছেন।
ছবির ক্যাপশনে আনুশকা লিখেছেন, “বাবার জন্মদিনে সেতার বাজিয়ে তাকে স্মরণ করছি। বাবার জন্য এর চেয়ে ভালো উপহার আর কী হতে পারে?”
বাংলাদেশের নড়াইলে ছিল রবিশঙ্করের পৈতৃক ভিটা। তার বাবা নড়াইল ছেড়ে পাড়ি জমান ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানসিতে। ওই শহরেই ১৯২০ সালের ৭ এপ্রিল রবিশঙ্করের জন্ম। তার বড় ভাই উদয়শঙ্কর ছিলেন এই উপমহাদেশের প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী।
আল্লারাখা খানের তবলার সঙ্গতে সেতার বাজাচ্ছেন রবিশঙ্কর। এই যুগলের পরিবেশনার বুঁদ থেকেছেন দেশে-বিদেশের শ্রোতারা।
রবিশঙ্কর ছিলেন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের মাইহার ঘরানার স্রষ্টা আচার্য আলাউদ্দিন খাঁর শিষ্য। আলাউদ্দিন খাঁ তার ইউরোপ সফরে তরুণ রবিশঙ্করকে বলেছিলেন, রবি যদি সব ছেড়ে তার কাছে আসতে পারেন, তবেই তাকে শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করবেন আলাউদ্দিন খাঁ। রবিশঙ্কর তাই করেছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় রবিশঙ্করের ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি অংশ। মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যের জন্য এবং বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে রবিশঙ্কর ও শিল্পী জর্জ হ্যারিসনের উদ্যোগে নিউ ইউর্কের ম্যাডিসন স্কয়ারে হয় ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’। কনসার্টে সঙ্গে ছিলেন ওস্তাদ আল্লা রাখা এবং ওস্তাদ আলী আকবর খান।