হুমায়ূন পড়লে বাংলা আর ভাষার প্রতি ভালোবাসা বেড়ে যায়: অনুপম রায়
নন্দিত এ কথা সাহিত্যিকের দৃষ্টিভঙ্গি, রসবোধ, আর বিজ্ঞান-কল্পবিজ্ঞানের অনায়াস মেলবন্ধনে মুদ্ধ এ গায়ক।
নন্দিত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যকর্ম নিয়ে নিজের ভালো লাগার কথা ফেইসবুকে লিখলেন পশ্চিমবঙ্গের সংগীতশিল্পী অনুপম রায়।
হুমায়ূনের লেখা উপন্যাস ‘নলিনী বাবু বিএসসি’ পড়ে অনুপম লিখেছেন, হুমায়ূন আহমেদের লেখার দৃষ্টিভঙ্গি, রসবোধ ও কল্পবিজ্ঞানের মেলবন্ধন তাকে বারবার মুগ্ধ করে।
ফেইসবুকে নিজের পেজে রোববার এক পোস্টে অনুপম লেখেন, “হুমায়ূন আহমেদের লেখা পড়তে আমার বরাবরই ভীষণ ভালো লাগে। সদ্য শেষ করলাম ‘নলিনী বাবু বিএসসি’। আরও একটা আশ্চর্য গল্প!”
প্রয়াত এ সাহিত্যিকের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি লিখেছেন, “তার লেখার সঙ্গে এক গভীর আত্মীয়তা অনুভব করি। পৃথিবীটাকে দেখার তার দৃষ্টিভঙ্গি, অসাধারণ রসবোধ, আর বিজ্ঞান-কল্পবিজ্ঞানের অনায়াস মেলবন্ধন বারবার মুগ্ধ করে। গল্পটা একই সঙ্গে মন ভালো করে দেয়, আবার মন খারাপও করায়। হুমায়ূন আহমেদ পড়লে বাংলা আর বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসাটা আরও বেড়ে যায়।"
হুমায়ূন আহমেদ বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিকদের একজন। তিনি ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোট গল্পকার, নাট্যকার, গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা তিন শতাধিক।
শুধু কথাসাহিত্যই নয়, টেলিভিশনে ধারাবাহিক নাটক ‘এইসব দিনরাত্রি’ থেকে শুরু করে ‘বহুব্রীহি’, ‘অয়োময়’, ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘নক্ষত্রের রাত’-এর মত জনপ্রিয় নাটক নির্মীত হয় তার গল্পেই।
নিজের গল্পে হুমায়ূন নির্মান করেছেন ‘আগুনের পরশমনি’, ‘শ্রাবন মেঘের দিন’, ‘দুই দুয়ারি’, ‘শ্যামল ছায়া’, ‘ঘেটুপুত্র কমলা’-এর মত চলচ্চিত্র।
বাংলা কথাসাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও নানা সময় তিনি অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। বেশ কয়েকবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও।
ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০১২ সালের ১৯ জুলাই হুমায়ূন আহমেদ মারা যান।
অন্যদিকে অনুপম রায় শুধু সংগীতশিল্পী নন, তিনি গীতিকার ও সুরকার হিসেবেও পরিচিত। গেল অক্টোবরে প্রকাশ্যে এসেছে অনুপম রায়ের ‘ব্যথা নেই’ শিরোনামের অ্যালবাম।
