বাবার স্মৃতিচারণায় আগুন ও রোমানা

খান আতাউর রহমানের ৮৬তম জন্মদিন উপলক্ষে বুধবার ফোনোলাইভ স্টুডিও কনসার্ট ‘মিউজিক ক্লাব’-এর বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হবেন তার পুত্র কণ্ঠশিল্পী আগুন ও মেয়ে রোমানা।

জয়ন্ত সাহাবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 10 Dec 2013, 11:54 AM
Updated : 10 Dec 2013, 11:54 AM

অনুষ্ঠানটি নিয়ে আগুন গ্লিটজকে বলেন, “বাবার কর্মময় জীবনের নানা স্মৃতি রোমন্থনের পাশাপাশি বাবার লেখা ও সুর করা গানগুলো গেয়ে শোনাব। পাশাপাশি দর্শকের নানা প্রশ্নের উত্তর দিব।”

আগুন জানিয়েছেন, এ অনুষ্ঠানে তারা খান আতার জীবনের অনেক অজানা ঘটনাও শোনাবেন দর্শকদের।

সরাসরি সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানে দর্শকরা গানের অনুরোধ করতে পারবেন।

মিউজিক ক্লাবের এই বিশেষ পর্বটি বুধবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে বাংলাভিশনে সম্প্রচারিত হবে।

খান আতাউর রহমান একাধারে সুরকার, গায়ক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, সংগীত পরিচালক, গীতিকার, প্রযোজক, সংলাপ রচয়িতা, কাহিনিকার। পাকিস্তানি  পরিচালক আখতার জং কারদার পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘জাগো হুয়া সাভেরা’- চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন তিনি।

তার অভিনীত প্রথম বাংলা সিনেমা ‘এ দেশ তোমার আমার’ মুক্তি পায় ১৯৫৯ সালে। এরপর বন্ধু জহির রায়হানের ‘কাচের দেয়াল’-সহ ‘কখনও আসেনি’ ‘সোনার ফুল’, ‘সূর্যস্নান’, ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’, ‘জোয়ার ভাটা’, ‘আপন পর’, ‘ত্রিরত্ন’, ‘সুজন সখী’, ‘মাটির মায়া’সহ অসংখ্য ছবিতে গীত রচনা, সংগীত, অভিনয়, কাহিনি ও চিত্রনাট্য করেন।

১৯৬৯ সালে জহির রায়হান পরিচালিত ‘জীবন থেকে নেয়া’ সিনেমাতে অভিনয় করে সৃষ্টি করেন এক অন্য ইতিহাস। এ সিনেমায় তার লেখা ও সুর করা গান ‘এ খাঁচা ভাঙব আমি কেমন করে’ গানটি এখনও লোকমুখে ফিরে।  

পরিচালক খান আতার প্রথম সিনেমা ‘অনেক দিনের চেনা’ মুক্তি পায় ১৯৬৩ সালে। এরপর তিনি সিরাজউদ্দৌলা, সাত ভাই চম্পা, অরুণ বরুণ কিরণমালা, আবার তোরা মানুষ হ, সুজনসখী, দিন যায় কথা থাকে, পরশপাথর, এখন অনেক রাত-সহ অনেক ছবি পরিচালনা করেছেন। তার পরিচালিত সর্বশেষ ‘এখনও অনেক রাত’ মুক্তি পায় ১৯৯৭ সালে।

১৯৯৭ সালের ১লা ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন খান আতাউর রহমান।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক