নিপুণের অভিযোগ, পীরজাদা হারুনের অস্বীকার
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার পীরজাদা শহিদুল হারুনের বিরুদ্ধে ‘অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার’ অভিযোগ তুলেছেন পরাজিত প্রার্থী নিপুণ আক্তার।
তবে এ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে চলচ্চিত্র ও টিভি নাটকের অভিনয়শিল্পী পীরজাদা হারুন বলেছেন, “এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা; ভোটের দিন এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।”
রোববার বিকালে ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগের পাশাপাশি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে এ অভিযোগও তোলেন নিপুণ।
এ অভিনেত্রী বলেন, “...পীরজাদা হারুন ভাইকে ব্যাপারে আরেকটা কথা বলতেই হয়, আমাদের সেখানে দুইজন নারী প্রার্থী ছিলেন, উনারা এখানে নাই। উনি সকালে (ভোটের দিন) আমাকে বলেছেন, উনি আমার কাছ থেকে দুই গালে দুইটা কিস চান।
“ওই গালের মধ্যে দুইটা চড় লাগানো উচিত ছিল। যেটা আমি করি নাই। কথাটা উনি যখন আমাকে বলেছেন তখন দুই প্রার্থী জেসনিম ও শাহনূর সেখানে ছিল। তখনই গালে চড় দিয়ে ইলেকশন বন্ধ করে দেওয়া উচিত ছিল।”
বিষয়টি নিয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে পীরজাদা হারুন বলেন, “এমন কোনো ঘটনা সেদিন ঘটেনি; এরকম কোনো কথাও বলিনি। সেখানে মিডিয়া ও দুই প্যানেলেও লোকজন ছিল। সেখানে এসব বলার কোনো স্কোপ ছিল না। এটা আমি তাকে কেন বলতে যাব।
“সে আমার এক কলিগের মেয়ে। সে আমাকে আংকেল বলে ডাকে। তাকে আমি এ কথা কেন বলতে যাব। এসব সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
সংবাদ সম্মেলনে নিপুণ অভিযোগ করেন, এফডিসির এমডি নুজহাত ইয়াসমিন, নির্বাচন কমিশনার পীরজাদা হারুন ও জায়েদ খান ‘গ্যাং’ মিলে নির্বাচনে তাদের ‘প্যানেলের বিরুদ্ধে কাজ করেছে’।
শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল সভাপতি পদে জয়ী হলেও সাধারণ সম্পাদক পদে হারে।
শনিবার ফল ঘোষণার পর নিপুণ আপিল করেছিলেন, কিন্তু ভোট পুনর্গণনায়ও ফল না বদলানোর পর তিনি সংবাদ সম্মেলনে এসে সাধারণ সম্পাদক পদে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি তুলেছেন নিপুণ।
