১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মঞ্চে 'সিদ্ধার্থ', টিকেট ফুরিয়েছে আগেই

নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হেরমান হেসের লেখা উপন্যাসটির অনুবাদ করেছেন জাফর আলম।

গ্লিটজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Jan 2026, 02:48 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:47 PM

নাট্যদল আরশিনগরের চতুর্থ প্রযোজনা 'সিদ্ধার্থ' নিয়ে দারুণ সাড়া মিলেছে বলে জানিয়েছেন নির্দেশক রেজা আরিফ।

ঢাকার জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ থিয়েটার মিলনায়তনে 'সিদ্ধার্থ' নাটকটির প্রদর্শনী শুরু হয় শনিবার সন্ধ্যায় ৭টায়। রোববারও একই সময়ে নাটকটির প্রদর্শনী হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া সোমবার বিকেল ৪টা ও সন্ধ্যা ৭টায়ও প্রদর্শনী রয়েছে।

নির্দেশক রেজা আরিফ বলেন, “দর্শকদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই। রোববারের সকল টিকেট বিক্রি হয়ে গিয়েছে গতকালই। আর গতকালের টিকেট ফুরিয়েছিল প্রায় পাঁচদিন আগে।

“২৬ জানুয়ারির ২টি প্রদর্শনীর অল্প কিছু টিকেট অবশিষ্ট আছে।"

এর আগে তিন সিজনে মঞ্চে এসেছে 'সিদ্ধার্থ'; প্রতিবারই চারটি থেকে পাঁচটি শো হয়েছে এই নাটকের।

নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হেরমান হেসের লেখা উপন্যাসটির অনুবাদ করেছেন জাফর আলম। নাট্যরূপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন রেজা আরিফ।

নাটকে দেখানো হয়েছে, ব্রাহ্মণ কুমার সিদ্ধার্থ পিতার অমতে ঘর ছাড়ে এবং সন্ন্যাস গ্রহণ করে। দীর্ঘ তিন বছর সন্ন্যাসব্রতের কঠোর সাধনা, আত্ম-নিগ্রহ, উপবাস, দৈহিক নির্যাতনের পর সন্ন্যাস ত্যাগ করেন তিনি। এরপর সৌভাগ্য হয় বুদ্ধের সাক্ষাৎ লাভ ও উপদেশ শোনার আশ্চর্য অভিজ্ঞতার। কিন্তু বুদ্ধের শিষ্যত্ব গ্রহণ না করে পথে বেরিয়ে পড়ে সিদ্ধার্থ। পরিচয় হয় নতুন এক জীবনের সাথে। সে জীবনের নাম সংসার-সন্তান লাভের খেলা।

দীর্ঘ কুড়ি বছর সে জীবনের নেশায় বুদ হয়ে থাকার পর সিদ্ধার্থের মনে হয় এ খেলা শেষ হয়েছে। সিদ্ধার্থ সে জীবন ত্যাগ করে আশ্রয় নেয় নদীর কাছে। নদীর কাছে থাকতে থাকতে সিদ্ধার্থ শেখে নদীর ভাষা। উপলব্ধি করে জীবনের বৃহত্তর মানে। জীবন ও মৃত্যু, পাপ ও পূণ্য, বোধ ও নির্বুদ্ধিতা-সবকিছুরই প্রয়োজন আছে জীবনে। এ সকল অভিজ্ঞতা জীবনকে পূর্ণ করে। এ অভিজ্ঞতার নামই জ্ঞান। যা কাউকে শেখানো যায় না; অর্জন করতে হয়।

নাটকে পার্থ প্রতিম, কাজী নওশাবা আহমেদ, জিনাত জাহান, ওয়াহিদ খানসহ অনেকে অভিনয় করেছেন।

টিকেদের দাম ধরা হয়েছে ১০০০, ৫০০ ও ৩০০ টাকা।