Published : 24 Jul 2026, 11:29 AM
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে চার দিনব্যাপী ‘নজরুল নাট্যোৎসব ২০২৬’।
নজরুল চর্চা কেন্দ্র বাঁশরীর আয়োজনে এই উৎসব শুরু হবে শনিবার, চলবে আগামী ২৮ জুলাই পর্যন্ত। উৎসবে আটটি নাটক দেখা যাবে।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তন ও স্টুডিও থিয়েটার হলে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে নাটকের প্রদর্শনী।

বাঁশরী জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে দেখা যাবে ‘বনের মেয়ে পাখি’ নাটক। নাটকটি নির্দেশনায় রয়েছে সাজ্জাদ সাজু।
দ্বিতীয় দিন রোববার দেখা যাবে তিনটি নাটক। জাতীয় নাট্যশালার মূল মঞ্চে রয়েছে বাঁশরী রেপার্টরি থিয়েটারের ‘আলেয়া’। নির্দেশনায় গোলাম সারোয়ার।
স্টুডিও থিয়েটার হলে দেখা যাবে বরিশাল শিশু থিয়েটারের ‘পুতুলের বিয়ে’ এবং রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ‘বউয়ের বিয়ে’। পুতুলের বিয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন সোনায়া খান এবং বউয়ের বিয়ের নির্দেশনায় ধীমান চন্দ্র বর্মন।
তৃতীয় দিন ২৭ জুলাই নাট্যশালায় রয়েছে জেনেসিস লিটল থিয়েটার গ্রুপের নাটক ‘সকাল বেলার পাখি’। এর নাট্যরূপ দিয়েছেন কামাল হোসাইন এবং নির্দেশনা রয়েছে নূর হোসেন রানা।
একি হলে প্রদর্শিত হবে বাঁশরী রেপার্টরি থিয়েটারের নাটক ‘সেতু-বন্ধ’। এই নাটকের নির্দেশনা দিয়েছেন গোলাম সারোয়ার।
স্টুডিও থিয়েটার হলে দেখা যাবে সিরাজগঞ্জের মাতৃভূমি কালচারাল একাডেমির পরিবেশনায় 'পুতুলের বিয়ে', নির্দেশনা শাহানা মনি এবং বহর নাট্যদলের ‘স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া’, নির্দেশনায় হাসান ফেরদৌস।
২৮ জুলাই উৎসবের শেষ দিন স্টুডিও থিয়েটার হলে প্রদর্শিত হবে ভোর হলো কুষ্টিয়ার পরিবেশনায় 'পুতুলের বিয়ে'। নির্দেশনায় নৌশিন নাওয়ার মাসুদ পৃথিবী। এরপর দেখা যাবে মেঠো পথ থিয়েটারের নাটক ‘হারাধনের বিয়ে’। নির্দেশনা দিয়েছেন শামীমা আক্তার মুক্তা।
এছাড়া উৎসবের তিনদিন ২৫, ২৬ ও ২৭ জুলাই প্রতিদিন উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ মঞ্চে রয়েছে নজরুলসংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনা।
টিটো মুন্সী ও আইরিন পারভীন লোপার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নজরুলসংগীত শিল্পী পরিষদ, কাব্য কুহক, বাংলাদেশ জাতীয় আবৃত্তি পরিষদ, সুরনন্দন-নজরুলসংগীত চর্চা কেন্দ্র, গেন্ডারিয়া কিশলয় ললিতকলা কেন্দ্র, জেমস অব নজরুল, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ নজরুলসংগীত শিল্পী সংস্থা, গ্রহস্বর, কেন্দ্রীয় বাফা বুলবুল একাডেমি ও বাঁশরীর শিল্পীরা পরিবেশনা করবেন।
প্রতিদিনের এই অনুষ্ঠান সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে বাঁশরী।