কক্সবাজারে পর্যটন নিয়ে মহাপরিকল্পনা, বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী
“যেখানে পর্যটন উন্নয়ন হবে, সেখানে হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠতে হবে,” বলেন তিনি।
কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বিএনপি সরকার সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ বলেছেন, সেখানে বিদ্যমান পরিবেশগত বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
“একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠেকের পর অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে আসেন বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বিধিনিষেধ শিথিল করার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি এর ব্যাখ্যায় বলেন, “যেখানে পর্যটন উন্নয়ন হবে, সেখানে হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠতে হবে। পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করেই উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করতে হবে।”
সরকারের বর্তমান অগ্রগতি ও ভাবনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের বড় পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ এগোচ্ছে, রেল যোগাযোগ চালু হয়েছে এবং চট্টগ্রাম থেকে উন্নত সড়ক যোগাযোগ গড়ে তোলা হচ্ছে।
“এসব অবকাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করে কক্সবাজারকে একটি আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরীতে রূপান্তর করা হবে।”
আমির খসরু বলেন, “২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে কক্সবাজার অন্যতম ‘গ্রোথ হাব’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
“পর্যটন, বাণিজ্য ও সেবাখাতের বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে কক্সবাজারের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে।”
এদিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা করেন অর্থমন্ত্রী; সেখানে বাজেট বাস্তবায়নে আমলাতন্ত্র নিয়ে জনমনে যে নেতিবাচক ধারণা আছে তা কাটিয়ে তোলার কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ বিভাগের সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।
