খাল খোঁড়া শেষ হলেই জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি, আশা চট্টগ্রামের মেয়রের

ভূমি অধিগ্রহণসহ কিছু জটিলতা থাকলেও ইতোমধ্যে ৫৮ শতাংশ খনন কাজ শেষ হয়েছে।

চট্টগ্রাম ব্যুরোবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 7 Feb 2024, 03:41 AM
Updated : 7 Feb 2024, 03:41 AM

চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট বাড়ইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত খাল খননের কাজ ৫৮ শতাংশ শেষ হয়েছে। এ খাল খনন শেষ হলে ১০ লাখ নগরবাসীর জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তির আশা দেখছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী।

মঙ্গলবার সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে খাল খননের কাজ পরিদর্শন করে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

১৯৯৫ সালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যানে চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় তিন কিলোমিটার লম্বা এ খাল খননের প্রস্তাব করা হয়েছিল। এটি ২০১৪ সালে একনেকে অনুমোদন পায়। মঙ্গলবার খাল খননের কাজ পরিদর্শনের সময় সিটি মেয়র বলেন, ২ দশমিক ৯ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের খালটি বড়াইপাড়া-নুর নগর হাউজিং হয়ে ওয়াজপাড়া-বলিরহাট হয়ে কর্ণফুলী নদীতে যুক্ত হবে। ৬৫ ফুট চওড়া খালটির ‍দুই পাশে ২০ ফুট করে সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা দুটি রাস্তাও হবে।

খাল খনন প্রকল্পের পরিচালক ফরহাদুল আলম জানান, ভূমি অধিগ্রহণসহ কিছু জটিলতা থাকলেও ইতোমধ্যে ৫৮ শতাংশ খনন কাজ শেষ হয়েছে। বাকিটা শেষ করতে রাত দিন কাজ চলছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালে একনেকে ৩২৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয়ে এ খাল খননের অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু সরকারি অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় এবং জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় প্রথম মেয়াদে প্রকল্পের কাজই শুরু করা যায়নি। এরপর ২০১৭ সালের নভেম্বর একনেকে প্রকল্পটি পুনর্বিবেচনা করে আবারও অনুমোদন দেওয়া হয়। সংশোধনে মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। ব্যয় বেড়ে হয় ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা। পরবর্তীকালে আবারও প্রকল্প ব্যয় সংশোধন করে নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৩৬২ কোটি ৬২ লাখ টাকা, যার বেশির ভাগ খরচ হচ্ছে জমি অধিগ্রহণে। এই খাল খননে প্রায় ২৫ দশমিক ২৩৫ একর জমি অধিগ্রহণ করতে হচ্ছে। এতে খরচ হচ্ছে মোট ১ হাজার ১০৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।  ২০২১ সালের ২৭ নভেম্বর এ খাল খনন প্রকল্প উদ্বোধন হয়।

(প্রতিবেদনটি প্রথম ফেইসবুকে প্রকাশিত হয়েছিল ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে: ফেইসবুক লিংক)