‘সাজেদা চৌধুরী চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন’

“উনার মৃত্যুতে যে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে তা কখনও পূরণ হওয়ার নয়,” শোকবার্তায় শিক্ষা উপমন্ত্রী।

চট্টগ্রাম ব্যুরোবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 12 Sept 2022, 03:33 PM
Updated : 12 Sept 2022, 03:33 PM

সংকটে-সংগ্রামে নিবেদিত রাজনীতিবিদ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী মৃত্যুর পরেও ‘চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন’ বলে মনে করেন চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের নেতারা।

সোমবার নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন এক শোক বার্তায় বলেন, “জাতির ও সংগঠনের দুঃসময়ে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।”

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে ‘দেশ ও দলের দুঃসময়ের কাণ্ডারী’ আখ্যায়িত করে নেতারা বলেন, “’৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর বিপন্ন আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনে তিনি সাহসী অবদান রেখেছিলেন। ওই সময়ে তিনি দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেন।

“সর্বোপরি বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনাকে ১৯৮১ সালে দলের সভাপতি এবং উনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। এমন একজন বড় মাপের নেতা আজ খুঁজে পাওয়া দুরূহ। উনার মৃত্যুতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হলো, তা কখনও পূরণ হবে না।”

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত সাজেদা চৌধুরীকে সফল রাজনীতিক উল্লেখ করে চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের নেতারা বলেন, “বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে তিনি যে রাজনৈতিক কুশলতা ও সৃজনশীল ভূমিকা রেখেছেন তা থেকে আমাদেরকে অনেক কিছু শিখে নিতে হবে।“

Also Read: শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় বিদায় সাজেদা চৌধুরীর

Also Read: সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী আর নেই

শোক বার্তায় সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনা এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করা হয়।

পৃথক শোক বার্তায় চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, “১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর বিপর্যয়ের মুখে পড়ে আওয়ামী লীগ। সেই সংকটময় মুহূর্তে দল সংগঠিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

“উনার মৃত্যুতে আমরা আওয়ামী পরিবারের দুঃসময়ের একজন অকুতোভয় সৈনিককে হারালাম। তিনি দেশে ও মানুষের কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন। উনার মৃত্যুতে যে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে তা কখনও পূরণ হওয়ার নয়।”

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৭৬ সালে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

১৯৯২ থেকে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসছেন। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি জাতীয় সংসদের উপনেতা হন।

পৃথক শোকবার্তায় চট্টগ্রাম সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী প্রয়াত সাজেদা চৌধুরীর আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক