১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

যন্ত্রাংশ খুলে বিএমডব্লিউসহ আরও ৪ গাড়ি আমদানি, খালাসের সময় ধরা

পুরাতন যন্ত্রাংশ ঘোষণায় আনা গাড়িগুলোর মূল্য সাড়ে ৯ কোটি থেকে ১২ কোটি টাকা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 01 Sep 2026, 08:33 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:56 PM

ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ ও পুরনো পেট্রোল ইঞ্জিনের নামে চারটি গাড়ি যন্ত্রাংশ খুলে আনা একটি চালান আটকে দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) অভিযান চালিয়ে ওই চালান জব্দের কথা মঙ্গলবার বিকালে সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন শুল্ক গোয়েন্দারা।

অভিযানে লেক্সাস এলএক্স ৬০০ এসইউভি, লেক্সাস এসসি ৪৩০, বিএমডব্লিউ এম ফাইভ, হোন্ডা বিএইটিনসি গাড়ির খণ্ডিত অংশগুলো জব্দ করা হয়। এর সঙ্গে গাড়ির ইঞ্জিন, দুটি গাড়ির সামনের অংশ ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিচালক সাগর সেন বলেন, এক মাস আগে জাপান থেকে আনা চালানটির নথি দাখিল না করে নিলামের মাধ্যমে খালাসের চেষ্টা চলছিল।

পুরাতন যন্ত্রাংশ ঘোষণায় আনা গাড়িগুলোর মূল্য সাড়ে ৯ কোটি থেকে ১২ কোটি টাকা। ‘শুল্ক ফাঁকি দিতে’ পূর্ণাঙ্গ গাড়িগুলো খুলে যন্ত্রাংশ হিসেবে আনা হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

রাতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও শুল্ক অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ ও পুরনো পেট্রোল ইঞ্জিন ঘোষণা দিয়ে জাপান থেকে একটি কন্টেইনারে ৮ হাজার ১৮ কেজি পণ্য আমদানি করা হয়। 

“প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য ও পণ্যের প্রকৃতি বিবেচনায় বিষয়টি সাধারণ ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানি নাকি পরিকল্পিতভাবে উচ্চমূল্যের গাড়িকে খণ্ডিত অবস্থায় এনে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা, তা বিস্তারিত তদন্ত, কায়িক পরীক্ষা ও মূল্যায়নের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।”

পাঁচ দিন আগে গত ২৭ অগাস্ট চট্টগ্রামে একটি বাড়ির গ্যারেজ থেকে বিএমডব্লিউ ব্র্যান্ডের একটি গাড়ি জব্দ করেন শুল্ক গোয়েন্দারা। গাড়িটি ‘মিথ্যা ঘোষণা ও শুল্ক ফাঁকি’ দিয়ে আনার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা বলেন তারা।

পর দিন ২৮ অগাস্ট কক্সবাজারের একটি হোটেল থেকে তিনটি গাড়ি জব্দ করা হয়। তবে মালিক পক্ষের দাবি গাড়িগুলো তাদের ‘বাবার উপহার’।

শুল্ক গোয়েন্দারা বলেন, প্রাথমিকভাবে মালিকের পক্ষ থেকে বৈধ আমদানি ও ক্রয়সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে না পারায় গাড়িগুলোর জব্দ করা হয়।