ছাত্রের লাশ উদ্ধার: পুলিশের গাড়ি থেকে ছিনিয়ে পিটুনি, ‘অপহরণকারীর’ মৃত্যু

নিহত উমং চিং রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা।

চট্টগ্রাম ব্যুরোবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 6 Feb 2024, 03:36 AM
Updated : 6 Feb 2024, 03:36 AM

চট্টগ্রাম থেকে অপহরণের পর রাঙ্গামাটি থেকে এক কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার করে ফেরার পথে স্থানীয়রা পুলিশের গাড়ি আটকে কথিত অপহরণকারীকে গণপিটুনি দিয়েছে। এতে ঘটনাস্থলে উমং চিং মারমা (২৬) নামে ওই যুবক মারা যান, যিনি অপহরণের শিকার শিবলী সাদিকের (২০) সঙ্গে একটি মুরগির খামারে কাজ করতেন।

উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উমং চিংকে উদ্ধার করতে গিয়ে গ্রামবাসীর হামলায় কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে জানান রাউজান থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল হারুন। সোমবার রাঙামাটির কাউখালী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে শিবলীর লাশ উদ্ধার করে ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। নিহত উমং চিং রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা, যিনি অপহরণের ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত বলে পুলিশের ভাষ্য। 

স্থানীয় একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী শিবলী পড়ালেখার পাশাপাশি বাড়ির কাছে একটি মুরগির খামারে কাজ করতেন, যাকে গত ২৮ অগাস্ট ওই খামার থেকে অপহরণ করা হয়েছিল। রাউজানের পঞ্চপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এ তরুণের পরিবারের কাছ থেকে অপহরণকারীরা ফোন করে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছিল, যা দফারফা করে দুই লাখ টাকা ঠিক হয়।

অপহরণকারীদের নির্ধারিত স্থানে টাকা দিয়ে আসার সময় শিবলীকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হলেও তা করা হয়নি। ওসি হারুনের দাবি, উমং চিং এর পরিকল্পনায় শিবলীকে অপহরণ করা হয়। জনরোষে পড়ে নিহত এ যুবক শিবলীর সহকর্মী ছিলেন। এ ঘটনায় শিবলীর বাবা গত ৭ অগাস্ট রাউজান থানায় অপহরণ মামলা করলে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে রোববার নগরীর চান্দগাঁও থানার সিঅ্যান্ডবি এলাকা থেকে উমং চিংসহ আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যে কাউখালীর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মাটি চাপা দিয়ে রাখা শিবলীর লাশ উদ্ধার করতে যায় বলে পুলিশ জানান।

(প্রতিবেদনটি প্রথম ফেইসবুকে প্রকাশিত হয়েছিল ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে: ফেইসবুক লিংক)