সীতাকুণ্ডে লরি চাপায় নিহতদের পরিচয় শনাক্ত, ৪ জনের লাশ হস্তান্তর
সোমবার রাতের ওই দুর্ঘটনায় মোট ৫ জন নিহত হয়।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে লরি চাপায় নিহত বাস যাত্রীদের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর ৪টি লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ বারআউলিয়া থানার সার্জেন্ট শামীম আলম বলেন, “চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে মারা যাওয়া এক শিশু ও নারীর লাশের পরিচয় গত রাতে ও সকালে পাওয়া গিয়েছিল। তবে ঘটনাস্থলে নিহত ৩ জনের পরিচয় শনাক্তে আমাদের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিশনের (পিবিআই) সহায়তা নিতে হয়েছে। এরমধ্যে দুটি লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই, অপর একটি লাশের স্বজনরা এসে পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।”
সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা এলাকায় সোমবার রাতে ঘটা ওই দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- ফাতেমা আক্তার (৩৮), আবসা (৪৪), মো. আবু সিদ্দিক (৩৯), মো. রাকিব (৮) ও স্বপ্না আক্তার (৩০)।
পুলিশের তথ্যানুযায়ী, নিহতদের মধ্যে রাকিবের লাশ রাতেই শনাক্ত করা হয়েছিল। তার সঙ্গে তারা বাবা-মাও গুরুতর আহত হয়েছেন। আর স্বপ্নার লাশ শনাক্ত হয়েছে সকালে।
কুমিরা এলাকায় সোমবার গভীর রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাস যাত্রীদের ওপর উঠে যায় ‘নিয়ন্ত্রণ হারানো’ একটি লরি। এতে চাপা পড়ে নিহত হন ৫ জন।
পুলিশ বলছে, শাপলা পরিবহনের বাসটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে রাস্তার বাম পাশে সাইড করে রাখা হয়েছিল। যাত্রীরা বাস থেকে নেমে সড়কের পাশে রাখা গাছের গুড়ির ওপর বসেছিলেন। এ সময় লোহার রড উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিএসআরএমের একটি খালি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস যাত্রীদের চাপা দেয়।
সার্জেন্ট শামীম আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দুর্ঘটনার পরপর লরিটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে। ঘটনাস্থলে এক পুরুষ ও দুই নারীসহ ৩ জন মারা গেছে। হাসপাতালে মারা গেছেন ২ জন।”
