Published : 01 Jan 2026, 07:36 PM
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীসহ আটজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আর বাতিল হয়েছে ইসলামী আন্দোলনের নেতাসহ চারজনের মনোনয়নপত্র।
বৃহস্পতিবার এ আসনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের এ তথ্য দিয়েছে অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন।
এ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জামায়াতের মোহাম্মদ শফিউল আলম, জাতীয় পার্টির আবু তাহের, বাসদ-মার্কসবাদীর দীপা মজুমদার, গণফোরামের উজ্জ্বল ভৌমিক, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবু তাহের, বাসদের নিজামুল হক আল কাদেরী, ইনসানিয়াত বিপ্লবের আজিজ মিয়ার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে টিকছে।
যারা বাতিল হয়েছে তারা হলেন-স্বতন্ত্র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নুর উদ্দিন, গণঅধিকার পরিষদের মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন ও বিএনপির সিদ্ধান্ত উপক্ষো করা এ কে এম আবু তাহের।
অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, চট্টগ্রাম-১১ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার তার কার্যালয়ে প্রার্থী ও প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়েছে।
“এ আসনে ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে তারা পুনরায় প্রার্থিতা ফেরত পেতে আপিল করতে পারবেন।”
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করা এক শতাংশ ভোটার যাচাইয়ে পাঁচজনকে পাওয়া যায়নি। তাই জাহাঙ্গীর ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. নূর উদ্দিনের মনোনয়নপত্রে তার নাম, আসন ও ভোটার নম্বর না থাকায় সেটি বাতিল করা হয়।
এছাড়া ঋণ খেলাপী হওয়ায় বিএনপির এ কে এম আবু তাহের এবং সিটি করপোরেশনের পাওনা ৯৭ হাজার ১৭৫ টাকা পরিশোধ না করায় গণঅধিকার পরিষদের মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৫ হাজার ২৭৮। তার মধ্যে ২ লাখ ৫২ হাজার ৩৩২ জন পুরুষ, ২ লাখ ৪২ হাজার ৯৪৩ জন নারী এবং তিনজন হিজড়া ভোটার রয়েছেন।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। বাছাই, আপিল, নিষ্পত্তি শেষে প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ ও পরদিন থেকে প্রচার সুযোগ রয়েছে। আর ভোটগ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।