এবার হত্যা মামলায় রিমান্ডে সাবেক এমপি লতিফ
এর আগে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলায় তাকে তিনদিনের রিমান্ডে পেয়েছিল পুলিশ।
চট্টগ্রামের বন্দর-পতেঙ্গা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ লতিফকে ডবলমুরিং থানার একটি হত্যা মামলায় তিনদিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।
বুধবার বিকালে চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান জিনিয়া শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
এর আগে বিকাল চারটার দিকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয় এম এ লতিফকে।
চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-৬ কাজী শরিফুল ইসলামের আদালতে হাজির করা হয় এম এ লতিফকে।
সেখানে কোতোয়ালী থানার দুটি মামলায় লতিফকে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের পিপি মফিজুল হক ভুঁইয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ওই দুই মামলার শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-৫ নুসরাত জাহান জিনিয়া মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-৬ এর এজলাসে আসেন। সেখানে ডবলমুরিং থানার হত্যা মামলাটির শুনানি করেন।
“ও্ই মামলায় পুলিশ পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিল। শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।”
৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সেদিন বিকেলে নগরীর ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকায় পুলিশ লাইন এলাকায় গুলিতে গুরুতর আহত হয় মো. আলম নামের এক চাকরিজীবী। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলম মারা যায়।
এ ঘটনায় ২২ সেপ্টেম্বর ডবলমুরিং থানায় হত্যা মামলা করেন আলমের ভাই জামাল উদ্দিন। ওই মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ ২২৫ জনকে আসামি করা হয়।
লতিফ আওয়ামী লীগের হয়ে চট্টগ্রাম-১১ আসনে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। একসময় চট্টগ্রাম চেম্বারেরও সভাপতি ছিলেন।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এম এ লতিফ কয়েকদিন চট্টগ্রাম নগরীর পূর্ব মাদারবাড়ি মালুম মসজিদ এলাকায় এক আত্মীয়র বাসায় ছিলেন।
গত ৯ অগাস্ট তিনি ওই এলাকার মসজিদে নামাজ পড়ে যাবার পথে বিএনপি নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের রোষানলে পড়েন। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়।
১৬ অগাস্ট নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী এলাকা থেকে এম এ লতিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর পরদিন ১৭ অগাস্ট নগরীর ডবলমুরিং থানার বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলায় তাকে তিনদিনের রিমান্ডে পেয়েছিল পুলিশ।
