Published : 14 Aug 2026, 07:56 PM
চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় যে দুটি জাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, তার মধ্যে একটি তেলবাহী ট্যাংকার। জাহাজটির ইঞ্জিন রুমে ফাটল দেখা দেওয়ার তথ্য দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। তেলবাহী ‘এমটি সি স্পাইক’ এ ৩৩ হাজার টন ডিজেল আছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বলেছে, তীব্র স্রোতের কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর পরই চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ড দ্রুততম সময়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
এছাড়া দ্রুততম সময়ে জাহাজটি থেকে জ্বালানি তেল খালাসের জন্য জাহাজটির শিপিং এজেন্ট প্রাইড শিপিংকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে ফাটল মেরামত ও উদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে নির্দেশ দেওয়ার কথা বলেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, প্রায় ৩৩ হাজার টন ডিজেল বহনকারী ট্যাংকার এমটি সি স্পাইকের সঙ্গে নোঙ্গর করে থাকা জাহাজ (বাল্ক ক্যারিয়ার) এমভি সান শাইন এর সংঘর্ষ হয়।
“তীব্র স্রোতের কারণে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে না পারায় এই ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তদন্তে বিস্তারিত জানা যাবে।”
সংঘর্ষের ঘটনায় তেলবাহী জাহাজটির সবকটি কার্গো ট্যাংক সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে জানিয়ে সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, “কার্গো ট্যাংকে কোনো পানি প্রবেশ করেনি এবং কোনো প্রকার তেল নিঃসরণের ঘটনা ঘটেনি।
“তবে এমটি সি স্পাইকের ইঞ্জিন রুমে আনুমানিক এক বর্গমিটার ফাটল দিয়ে পানি প্রবেশ করায় সাময়িক ব্ল্যাকআউট বা বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটেছে। ইমারজেন্সি ব্যাটারির সাহায্যে জাহাজের ভিএইচএফ যোগাযোগ ব্যবস্থা সক্রিয় রাখা হয়েছে।”
দুই নোঙ্গরের সাহায্যে জাহাজটি স্থিতিশীল রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, বলেন তিনি।
দুই জাহাজের এই সংঘর্ষের পরেও বন্দর চ্যানেলে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক আছে তুলে ধরে বন্দর সচিব বলেন, “পরিস্থিতি বর্তমানে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আছে।”
আরও পড়ুন: