১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সংস্কারের দোহাই দিয়েন না, ভোট পিছিয়ে লাভ হবে না: খসরু

“নির্বাচনি হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এগুলো ঠেকিয়ে আবার বহুরূপে, ভিন্নরূপে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতায় থাকার পায়চারি করলে চলবে না,” বলেন তিনি।

সংস্কারের দোহাই দিয়েন না, ভোট পিছিয়ে লাভ হবে না: খসরু
চট্টগ্রাম নগরীর মাঝিরঘাট স্ট্যান্ড রোডে সোমবার বিকালে সমাবেশে বক্তব্য দেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 30 Dec 2024, 11:31 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:14 AM

নির্বাচন দীর্ঘায়িত করার কোনো ষড়যন্ত্র চলতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, “আগে থেকে বলে দিচ্ছি, বড় বড় স্বৈরাচারকে দেশের মানুষ বিতাড়িত করেছে। ‘ওই প্রক্রিয়ায়, ভিন্নরূপে বহুরূপের ভাব দিয়ে’ আর কোনো স্বৈরাচারকে থাকতে দিব না।

“নির্বাচন দিতে হবে, দেশের মানুষ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে। নির্বাচনকে দীর্ঘায়িত করে ষড়যন্ত্র চলবে না। দেশের মানুষ বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম গত ১৫-২০ বছর ভোট দিতে পারে নাই, মহিলারা ভোট দিতে পারে নাই, সবাই ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় আছে।”

চট্টগ্রাম নগরীর মাঝিরঘাট স্ট্যান্ড রোডে সোমবার বিকালে সদরঘাট বিএনপির এক সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি।

সংস্কারকে চলমান প্রক্রিয়া বর্ণনা করে খসরু বলেন, “প্রতিনিয়ত সংস্কার হবে। সংস্কারের দোহায় দিয়েন না, শুধু নির্বাচনের সংস্কার করেন। নির্বাচনি সংস্কার করে নির্বাচন দিয়ে জনগণের কাছে জনগণের মালিকানা ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন। নির্বাচিত সংসদ সরকার আগামী দিনে যত সংস্কার সবগুলো করবে। জনগণের ম্যান্ডেট নিতে হবে নির্বাচনের মাধ্যমে। অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় হবে না।”

দেশে নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে কোনো স্বৈরাচার থাকতে পারবে না। এখন গণতন্ত্রের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। নির্বাচনি হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এগুলো ঠেকিয়ে আবার বহুরূপে, ভিন্নরূপে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতায় থাকার পায়চারী করলে চলবে না।’

“এখানে মাঝখানে কেউ এসে খেলাধুলা করবেন, ভোট পিছিয়ে দিবেন, বিলম্বিত করবেন,…এসব করে লাভ হবে না। তাই আগে থেকে জনগণের দেওয়ালের লিখন পড়তে শিখুন। শেখ হাসিনা জনগণের দেওয়ালের লিখন পড়তে পারে নাই।”

সদরঘাট থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. সালাউদ্দিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ, সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।