Published : 09 Feb 2026, 10:23 AM
বল হাতে যখন ছুটছেন স্যাম কারান, তার চেয়ে বেশি চাপে নেই তখন আর কেউ। মহাঅঘটন থেকে দলকে বাঁচানোর মূল দায়িত্ব তারই। তবে দলের অন্যরাও উৎকণ্ঠাও তো কম ছিল না। সেটিই ফুটে উঠল উইল জ্যাকসের কণ্ঠে। ম্যাচ-সেরা হওয়ার পর ইংল্যান্ডের এই অলরাউন্ডার বললেন, শেষ ওভারে প্রচণ্ড নার্ভাস ছিলেন তিনি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচটিতে রোববার শেষ ওভারে নেপালের প্রয়োজন ছিল ১০ রান। স্ট্রাইকে তখন লোকেশ বাম। বিধ্বংসী ক্যামিওতে তিনি তখন উত্তাল করে তুলেছেন নেপালি সমর্থকে ঠাসা ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের গ্যালারি। মনে হচ্ছিল যেন, নেপালের ঘরের মাঠেই খেলা।
ততক্ষণে চারটি চার ও দুটি ছক্কা মেরেছেন লোকেশ। ওভারে ১০ রান নেওয়া তো খুবই সম্ভব।
কিন্তু স্নায়ুর চাপের লড়াইয়ে জিতে শেষ ওভারে অসাধারণ বোলিং করেন কারান। ওভার থেকে আসে মাত্র ৫টি রান। লোকেশ নিজেই দুটি ডেলিভারি থেকে রান নিতে পারেননি। চার রানে জিতে হাঁফ ছেড়ে বাঁচে ইংলিশরা।
ইংল্যান্ড যে আগে ব্যাট করে ১৮৪ রান করতে পারে, সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল জ্যাকসের। শেষ দিকে চারটি ছকআয় ১৮ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। পরে বল হাতে বিদায় করেন কুশাল ভুর্তেলকে, যিনি দারুণ শুরু করেছিলেন নেপালের ইনিংসের।
শেষ ওভারের নায়ক কারান হলেও ম্যাচ-সেরার পুরস্কার পান জ্যাকস। পরে তিনি শোনালেন শেষ ওভারের সময় তার অনুভূতি।
“খুবই নার্ভাস ছিলাম আমি… প্রচণ্ড নার্ভাস। বুক ধড়ফড় করছিল। তবে স্যাম কারানের ওপর বিশ্বাস ছিল আমার। আগেও এই ধরনের পরিস্থিতিতে কাজটা করতে পেরেছে এবং এবারও দুর্দান্তভাবে করেছে। তার ইয়র্কারগুলো ছিল দারুণ। চাপের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে পেরেছে ঠিকঠাক।”
নিজেরা জয়ের স্বস্তি পেলেও প্রতিপক্ষকে কৃতিত্ব দিতে ভুললেন না জ্যাকস। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার ইংল্যান্ডের সঙ্গে খেলতে নেমে যেভাবে লড়াই করেছে নেপাল, এই অলরাউন্ডারের মুগ্ধতার শেষ নেই তাতে।
“পুরো কৃতিত্ব নেপালের। তারা একদম অসাধারণ ছিল। আমরা ব্যাটিং করার সময় মনে হয়েছিল, উইকেট একটু ‘ট্রিকি।’ কিন্তু তারা আমাদের বিপক্ষে খুবই ভালো খেলেছে এবং প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছিল। দারুণ খেলেছে তারা।”