Published : 27 Feb 2026, 08:44 AM
এক ম্যাচ হাতে রেখে সবার আগে বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে উঠে গেছে ইংল্যান্ড। তবে এখনও তারা ‘পরিপূর্ণ’ পারফরম্যান্স দেখাতে পারেনি বলে মনে করেন দলটির বোলিং কোচ ও নিউ জিল্যান্ডের সাবেক পেসার টিম সাউদি। স্বদেশের বিপক্ষে দলের কাছে তার চাওয়া তাই ‘নিখুঁত’ ম্যাচ।
বিশ্বকাপের ঠিক আগে শ্রীলঙ্কাকে তাদের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করে ইংল্যান্ড। উপমহাদেশের বিশ্বকাপে ছয় ম্যাচের পাঁচটি জিতেছে তারা। তবে নিজেদের সেরা ক্রিকেট এখনও তারা খেলতে পারেনি।
অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান জস বাটলার বাজে ফর্মে আছেন। আসরে ছয় ইনিংসে এখনও ৩০ ছুঁতে পারেননি তিনি। আরেক ওপেনার ফিল সল্ট একটি ফিফটি করলেও, বাকি ইনিংসগুলোয় খুব একটা ভালো করতে পারেননি। জেকব বেথেল, টম ব্যান্টনরাও খুব একটা ধারাবাহিক নন।
সুপার এইটের শেষ ম্যাচে শুক্রবার নিউ জিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। আগের দিন সাউদি বললেন, ইংল্যান্ডের আরও অনেক কিছু দেওয়ার আছে।
“আমার মনে হয়, সবাই মাঠে নেমে ভালো করতে চায়। এটা এই দলের জন্য খুব ভালো লক্ষণ। আগের অনেকগুলো ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটি আমরা হেরেছি এবং বিভিন্নভাবে জিতেছি। আমরা নিখুঁত ম্যাচ খেলিনি বা তিন বিভাগে পরিপূর্ণ পারফরম্যান্স দেখাতে পারিনি, তারপরও আমরা জয়ের পথ খুঁজে পেয়েছি। যদি এসব ঠিক হয় এবং আমরা নিখুঁত ম্যাচ খেলতে পারি, তাহলে দারুণ হবে।”
ইংল্যান্ড দলের কম পরিচিত খেলোয়াড়ই বেশি ভালো করছেন বিশ্বকাপে। উইল জ্যাকস যেমন হয়ে উঠেছেন সত্যিকারের ‘এক্স-ফ্যাক্টর।’
সুপার এইটে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দারুণ অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে দলের জয়ের নায়ক ছিলেন তিনি। ব্যাট হাতে ১৪ বলে ২১ রানের কার্যকর ইনিংস খেলার পর, ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ২২ রানে তিন উইকেট নেন এই অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার। গ্রুপ পর্বে ইতালির বিপক্ষে তিনি ফিফটি করেন ২১ বলে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে যা দ্রুততম।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে আগে চারটি বিশ্বকাপে দলের সঙ্গে থেকে একবারও যিনি মাঠে নামার সুযোগ পাননি, সেই লিয়াম ডসন এই বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়ে দারুণ বোলিং করছেন। এই অফ স্পিনার সুপার এইটে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৪ রানে নিয়েছেন তিন উইকেট। এখন পর্যন্ত দলের ছয় ম্যাচের সবকটিতেই তিনি খেলেছেন, উইকেট নিয়েছেন ৯টি।
আসর জুড়ে দারুণ বোলিং করে ৯ উইকেট নিয়েছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার জেমি ওভারটনও।
এই খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ ১০৭ টেস্ট, ১৬১ ওয়ানডে ও ১২৬ টি-টোয়েন্টি খেলা সাউদি।
“আমরা যেভাবে বিভিন্ন উপায়ে জিততে পেরেছি এবং ভিন্ন ভিন্ন ছেলেরা এগিয়ে এসেছে, তা অসাধারণ। অনেক সময়ই, যারা হয়তো বিপজ্জনক খেলোয়াড় হিসেবে খুব একটা পরিচিত নয়, যেমন উইল জ্যাকস, জেমি ওভারটন, ডসন, এসব ছেলেরা বড় প্রভাব রেখেছে। এক ম্যাচ বাকি থাকতে (সেমি-ফাইনালে) কোয়ালিফাই করাটা ভালো দিক।”