বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে উইন্ডিজের ‘প্রথম’ চারশ
ওয়ানডেতে অষ্টম দল হিসেবে কোনো ম্যাচে চারশ রানের সংগ্রহ গড়ল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
প্রথম ম্যাচে ভালো শুরুটা কাজে লাগাতে না পারা ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবার শেষটাও ভালো করল। তাতে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার কোনো ওয়ানডেতে চারশ রানের সীমানা ছাড়াতে পারল সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
গুয়াহাটিতে ভারতের বিপক্ষ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে তিন সেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটে ৪০৫ রানের সংগ্রহ গড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
এই সংস্করণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের আগের সর্বোচ্চ ছিল ৩৮৯ রান, ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। এছাড়া তাদের ৩৮০ ছাড়ানো ইনিংস আছে আরও দুটি, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ডাবলিনে ছয় বছরের ব্যবধানে।
ভারতের বিপক্ষে সব দল মিলিয়ে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ। ২০১৫ সালে ওয়াংখেড়েতে দক্ষিণ আফ্রিকার চার উইকেটে ৪৩৮ রান এখনও সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০০৯ সালে রাজকোটে শ্রীলঙ্কার আট উইকেটে ৪১১।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই সংগ্রহে সবেচেয়ে বড় অবদান- জন ক্যাম্পবেল, শেই হোপ ও আমির জাঙ্গুর। তিন জনই করেছেন সেঞ্চুরি।
২০ সেঞ্চুরিতে ব্রায়ান লারাকে (১৯) পেছনে ফেলে দুই নম্বরে উঠে এসেছেন হোপ। ২৫ সেঞ্চুরি নিয়ে ক্যারিয়ানদের মধ্যে তার চেয়ে এগিয়ে আছেন কেবল ক্রিস গেইল।
দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেছেন ক্যাম্পবেল ও জাঙ্গু।
ক্যাম্পবেলের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শুরুটা হয় দারুণ। প্রথম পাওয়ার প্লেতে তারা এক উইকেটে করে ৯৬ রান।
দ্বিতীয় পাওয়ার প্লেতে ৩০ ওভারে ২ উইকেটে যোগ করে ২৩৩ রান। এরপর নিয়মিত উইকেট হারানোয় শেষ পাওয়ার প্লে ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারেনি সফরকারীরা। শেষ ১০ ওভারে যোগ করতে পারে কেবল ৭৬ রান। নয়তো সংগ্রহ হতে পারতো আরও বড়।
৭৭ বলে ১১৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন জাঙ্গু। ৬৮ বলে ১০১ রান করে থামেন ক্যাম্পবেল। তাদের সঙ্গে দুটি ভালো জুটি গড়া হোপ ৯৪ বলে খেলেন ১০৪ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস।
ওয়ানডেতে অষ্টম দল হিসেবে কোনো ইনিংসে ৪০০ করল ক্যারিবিয়ানরা। আটবার করে এই কীর্তি আছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারতের।
সাতবার করেছে ইংল্যান্ড, তিনবার অস্টেলিয়া। দুইবার করে শ্রীলঙ্কা ও নিউ জিল্যান্ড এবং একবার জিম্বাবুয়ে।
ভারতের বিপক্ষে এ নিয়ে তৃতীয়বার কোনো ওয়ানডেতে ৪০০ রান হলো। সর্বোচ্চ পাঁচবার হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। চারবার করে দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।
