২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

তাসকিনের প্রথম উইকেট, দলের দ্বিতীয় জয়

আইএল টি-টোয়েন্টিতে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম উইকেটের দেখা পেলেন তাসকিন আহমেদ।

তাসকিনের প্রথম উইকেট, দলের দ্বিতীয় জয়
উইকেট পাওয়ার পর তাসকিন আহমেদের উল্লাস। ছবি: ভিডিও থেকে স্ক্রিনশট

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Dec 2025, 09:21 AM

Updated : 26 Aug 2026, 05:19 PM

উইকেট পেতে পারতেন প্রথম ওভারে, ফিল্ডারের ব্যর্থতায় তা হলো না। পরের ওভারেই অবশ্য অপেক্ষা ফুরাল তাসকিন আহমেদের। আইএল টি-টোয়েন্টিতে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম উইকেটের দেখা পেলেন বাংলাদেশের পেসার। আবারও জিতল তার দল শারজাহ ওয়ারিয়র্স।

গাল্ফ জায়ান্টসের বিপক্ষে সিকান্দার রাজার নেতৃত্বাধীন দলটির জয় ১১ রানে। আসরে প্রথম তিন ম্যাচে হারের পর টানা দুটি জিতল তারা। 

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার ওয়ারিয়র্সের ১৭৪ রানের জবাবে গাল্ফ জায়ান্টস করতে পারে ১৬৩।

আগের দিন সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অভিষেকে এমআই এমিরেটসের বিপক্ষে চার ওভারে ৩৯ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন তাসকিন। দ্বিতীয় ম্যাচেও বোলিং খুব একটা ভালো করতে পারেননি তিনি। চার ওভারে ৩৪ রান দিয়ে একটি উইকেট পান ৩০ বছর বয়সী পেসার।

চার ওভারে এক মেডেনে ১৯ রানে ৩ উইকেট নিয়ে দলটির সফলতম বোলার ও ম্যাচ-সেরা শ্রীলঙ্কান পেসার মাথিশা পাথিরানা। আরব আমিরাতের পেসার ওয়াসিম আকরাম ৩৪ রানে নেন ৩ উইকেট।

অভিষেকের মতো এদিনও ইনিংসের প্রথম ওভারে বোলিং পান তাসকিন। তার প্রথম চার বলে আসে ৫ রান। পঞ্চম বলে উইকেট পেতে পারতেন তিনি। অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বল আকাশে তোলেন রাহমানউল্লাহ গুরবাজ, কিন্তু কাভার-পয়েন্টে বল মুঠোয় জমাতে ব্যর্থ হন ফিল্ডার ইথান ডি’সুজা। ওভারে আসে মোট ৮ রান।

দ্বিতীয় ওভারে পাথুম নিসাঙ্কাকে ফিরিয়ে ওয়ারিয়র্সকে প্রথম উইকেট এনে দেন ওয়াসিম।

গুরবাজ জীবন পেয়ে তাসকিনের পরের ওভারে প্রথম দুই বলে মারেন চার ও ছক্কা। এরপর একটি ওয়াইড দিলেও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান তাসকিন। শেষ চার বলে স্রেফ এক রান নিয়ে জেমস ভিন্সের উইকেট নেন তিনি। পরপর দুই বলে রান নিতে ব্যর্থ হওয়ার পর উড়িয়ে মারার চেষ্টায় মিড-অফে সিকান্দার রাজার হাতে ধরা পড়েন ইংলিশ ব্যাটসম্যান। ৬ বল খেলে শূন্য রানে আউট হন তিনি।

এই ওভারে আসে মোট ১২ রান।

পরের দুই ওভারে আরও দুটি উইকেট হারায় গাল্ফ জায়ান্টস। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তাসকিন দেন কেবল ৬ রান। দ্বিতীয় বলে বাউন্ডারি হজমের পর, বাকি চার বলে খরচ করেন স্রেফ ২ রান। ওভারের সবগুলো বলই খেলেন মইন আলি।

৩৮ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর মইন ও আজমাতউল্লাহ ওমারজাইয়ের পঞ্চাশোর্ধ জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে গাল্ফ জায়ান্টস। পঞ্চদশ ওভারে ওমারজাইকে (২৬ বলে ৪১) ফিরিয়ে ৬০ বলে ৭৯ রানের জুটি ভাঙেন ওয়াসিম।

শেষ পাঁচ ওভারে গাল্ফ জায়ান্টসের প্রয়োজন পড়ে ৫১ রান। মইন এক প্রান্তে থাকলেও, পরের দুই ওভারে ম্যাথু ফোর্ড ও আসিফ খানকে হারিয়ে লড়াই থেকে অনেকটা দূরে সরে যায় তারা। অষ্টাদশ ওভারে মইনকেও (৪১ বলে ৪৫) থামিয়ে দেন পাথিরানা।

শেষ দুই ওভারে দরকার যখন ৩২, ১৯তম ওভারে তাসকিন দেন ৮ রান। প্রথম চার বলে তিনটি সিঙ্গল দেওয়া বোলার পঞ্চম বলে হজম করেন বাউন্ডারি, শেষ বলে দেন এক রান।

এর আগে টম অ্যাবেলের ফিফটি (৪১ বলে ৬৮), জেমস রু (৩৩ বলে ৩৯) ও ডোয়াইন প্রিটোরিয়াসের (১৩ বলে ২৮) কার্যকর ইনিংসে লড়াইয়ের পুঁজি পায় ওয়ারিয়র্স।