Published : 21 Aug 2026, 11:38 PM
ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের কোচিং স্টাফে যোগ দিতে আগ্রহী মাইক হাসি। দলটির নতুন প্রধান কোচ স্টিভেন ফ্লেমিংয়ের কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি। তবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সময় নেবেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং গ্রেট।
ব্রেন্ডন ম্যাককালামের জায়গায় ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের দায়িত্ব নিয়েছেন ফ্লেমিং। যদিও পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান সিরিজে তিনি দায়িত্বে নেই, মার্কাস ট্রেসকোথিক অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে আছেন।
নিউ জিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ফ্লেমিংয়ের দায়িত্বে প্রথম সিরিজ হবে বছরের শেষ দিকে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে, যেখানে তিনটি টেস্ট খেলবে ইংল্যান্ড। ৫৩ বছর বয়সী এই কোচ আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসে হাসির সঙ্গে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন। দুজনের মধ্যে রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
চেন্নাইয়ের ব্যাটিং কোচ হাসি ফক্স স্পোর্টস নিউজকে বললেন, ফ্লেমিংয়ের প্রস্তাবটি ছিল অনানুষ্ঠানিক। তবে আগামী গ্রীষ্মের অ্যাশেজে নিজের দেশের বিপক্ষে ইংল্যান্ডকে কোচিং করাতে তার কোনো আপত্তি নেই।
“এখানে অনেক কিছুই বিবেচনা করার আছে। আমার সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো, আমি সত্যি কোনো কিছুতেই না বলব না।
আমি এই খেলাটির কোচিং দিকটা ভালোবাসি। খেলোয়াড়দের আরও ভালো হতে সাহায্য করার চেষ্টা করতে ভালোবাসি, তারা অস্ট্রেলিয়ান, ইংলিশ, দক্ষিণ আফ্রিকান, পাকিস্তানি বা ভারতীয় বা অন্য যেকোনো দেশেরই হোক না কেন, এতে আমার কোনো আপত্তি নেই।”
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৭৯ টেস্টে ছয় হাজারের বেশি রান করা হাসি ২০২২ সালের সফল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযানে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছিলেন। ৫১ বছর বয়সী সাবেক ব্যাটসম্যান বললেন, অস্ট্রেলিয়ার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের জার্সি পরাটা অদ্ভুত লেগেছিল তার কাছে।
“অ্যাশেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের হয়ে কোচিং করানোটা নিঃসন্দেহে কিছুটা অদ্ভুত লাগবে। তবে এটাই যদি হয় আপনার কাজ এবং আপনি সেটাই করেন, তবে আপনাকে তা চালিয়ে যেতে হবে। আমি কোন দলের বিপক্ষে কোচিং করাচ্ছি, সেটা কোনো ব্যাপার বলে আমার মনে হয় না। আমার বরং মনে হয়, আমি একটি দলের কোচিং করাচ্ছি, সেটা অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা বা অন্য কোনো দলের বিপক্ষেই হোক না কেন।”
ইংল্যান্ডের একশ বলের প্রতিযোগিতা দা হান্ড্রেডে ওয়েলস ফায়ারকে কোচিং করিয়ে যুক্তরাজ্য থেকে ফিরে বর্তমানে ছুটিতে আছেন হাসি। সব দিক ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে চান তিনি।
“আমি কোনো সিদ্ধান্তে তাড়াহুড়ো করব না। স্টিভেন ফ্লেমিংয়ের সঙ্গে আমার খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং এরও একটি প্রভাব আছে। পরিবার থেকে দূরে থাকাটা আমার জন্য একটি বড় বিষয়। আমি এখনই হ্যাঁ বা না বলার মতো অবস্থানে নেই।”